📅 ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:০৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

স্থানীয় সরকারের ই-সেবা: নারী ও তরুণদের কাছে পৌঁছাচ্ছে না শতভাগ সুবিধা

স্থানীয় সরকারের ই-সেবা: নারী ও তরুণদের কাছে পৌঁছাচ্ছে না শতভাগ সুবিধা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে ই-গভর্ন্যান্সের প্রসার ঘটলেও নাগরিকেরা তার পূর্ণ সুফল পাচ্ছেন না। সিপিডির গবেষণা অনুযায়ী, মাত্র ৩১ শতাংশ নারী ও ৪৩ শতাংশ তরুণ অনলাইনে সরকারি সেবা পেয়েছেন। রংপুর বিভাগ সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে ডিজিটাল সেবা গ্রহণে

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে ই-গভর্ন্যান্স ব্যবস্থা চালু হলেও নাগরিকেরা তার সম্পূর্ণ সুবিধা পাচ্ছেন না বলে উঠে এসেছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) এক গবেষণায়। গবেষণায় দেশের ৮ বিভাগের ২ হাজার ৬১১ জন নাগরিকের মতামত বিশ্লেষণ করা হয়। একই সঙ্গে ২৯৭টি স্থানীয় সরকারি অফিসের ওপর সমীক্ষা চালানো হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মাত্র ৩১ শতাংশ নারী অনলাইনে সরকারি সেবা পাওয়ার কথা জানিয়েছেন
  • 📌 তরুণদের মধ্যে অনলাইন সেবা গ্রহণের হার ৪৩ শতাংশ
  • 📌 রংপুর বিভাগ ডিজিটাল সেবা গ্রহণে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে
  • 📌 ইউনিয়ন পর্যায়ের অফিসগুলোতে কম্পিউটার ও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের ঘাটতি রয়েছে
  • 📌 অনলাইনে সেবা গ্রহণের হার বাড়াতে শতভাগ স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা প্রয়োজন

📰 বিস্তারিত

সিপিডির আয়োজিত সংলাপে গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করা হয়। গবেষণায় অংশ নেওয়া নাগরিকদের মধ্যে নারী, তরুণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব ছিল। গবেষণা ফেলো তামিম আহমেদ ও গবেষণা সহযোগী সাবিহা শারমিন জানান, অনলাইনে আবেদনের পরও বেশিরভাগ নাগরিককে সশরীরে সেবা প্রদানকারীদের কাছে যেতে হয়েছে। কারণ হিসেবে তথ্য সরবরাহ, সই ও তদবিরের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করা হয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, ডিজিটাল সেবার প্রস্তুতি ও সচেতনতায় রংপুর বিভাগ সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও দক্ষিণাঞ্চলের নারীরা ডিজিটাল প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমে তুলনামূলকভাবে এগিয়ে আছেন। উত্তরাঞ্চলের নারীরা অনলাইনে সেবা গ্রহণে পিছিয়ে থাকার অন্যতম কারণ হিসেবে ইউনিয়ন পর্যায়ের অফিসগুলোয় কম্পিউটার ও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের অভাব, অনলাইনে তথ্য ফাঁসের ভয় ও আস্থার ঘাটতিকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো ফাহমিদা খাতুন বলেন, অনলাইনে সেবা প্রদানের উদ্যোগকে সফল করতে হলে সব স্তরের মানুষকে সেবার আওতায় আনতে হবে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, সংখ্যালঘু, নিম্ন আয়ের পরিবার, প্রত্যন্ত এলাকার বাসিন্দা ও সীমিত শিক্ষার মানুষকেও বাদ দেওয়া যাবে না। তিনি বাংলা ভাষার পাশাপাশি স্থানীয় ভাষাতেও সেবা প্রদানের পরামর্শ দেন।

"অভিযোগ জানানো, অগ্রগতি দেখা ও আপিলের কার্যকর ডিজিটাল ব্যবস্থা থাকতে হবে। শুধু প্রযুক্তি নয়, নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট, প্রশিক্ষিত কর্মকর্তা, সাইবার নিরাপত্তা ও তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজধানীর গুলশান, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফাহমিদা খাতুন, তামিম আহমেদ, সাবিহা শারমিন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ বিভাগ, ২ হাজার ৬১১ জন, ২৯৭টি অফিস, ৩১ শতাংশ, ৪৩ শতাংশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖