📌 স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ঘোষণা করেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চূড়ান্ত নয় বলে উল্লেখ করে সচিবদের মতামতের অপেক্ষা করার আহ্বান জানান। এছাড়াও ঢাকার মেগা প্রকল্পসমূহের নির্মাণকাজের সমন্বয় বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করেছেন তিনি
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ঘোষণা করেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ঘোষিত সম্ভাব্য তারিখকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয় বলে উল্লেখ করে সচিবদের অংশগ্রহণে আন্তমন্ত্রণালয় সভার মতামতের অপেক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার বিকেলে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভা শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৭ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত: স্থানীয় নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে সচিবদের মতামতের আলোকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে
- 📌 স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত নয়, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাসমূহের সমন্বয় প্রয়োজন
- 📌 ঢাকার মেগা প্রকল্পসমূহের নির্মাণকাজের সমন্বয় ও যানজট নিরসনের জন্য আন্তসংস্থা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে
- 📌 সরকারের লক্ষ্য: নগরবাসীদের স্বস্তি নিশ্চিত করা, ভোগান্তি ও সময়-অপচয় কমিয়ে আনা
- 📌 বর্ষা মৌসুমে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির প্রবণতা কমাতে একই সময়ে ইউটিলিটি শিফটিং ও নির্মাণকাজের সমন্বয় নিশ্চিত করা হবে
- 📌 এমআরটি, সেতু কর্তৃপক্ষ, সড়ক বিভাগ, সিটি করপোরেশন, ওয়াসা ও ডেসাসহ সংস্থাগুলোর কাজ তদারকির জন্য ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয়েছে
- 📌 প্রতি ১৫ দিন পর পর সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সাব-কমিটির মাধ্যমে যোগাযোগ রাখা হবে
📰 বিস্তারিত
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ মঙ্গলবার বিকেলে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভা শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক ও আইনগত এখতিয়ার অনুযায়ী কাজ করলেও স্থানীয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা ও মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এই সভায় ঢাকা মহানগরীতে চলমান ও নির্ধারিত মেগা প্রকল্পসমূহের নির্মাণকাজের কারণে উদ্ভূত যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও অংশীজনদের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য নগরবাসীদের স্বস্তি নিশ্চিত করা, ভোগান্তি কমিয়ে আনা এবং জনস্বার্থে সময় ও অর্থের অপচয় রোধ করা। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির প্রবণতা প্রকট আকার ধারণ করে।
মন্ত্রী আরও বলেন, আন্তসংস্থা সমন্বয়ের মাধ্যমে একই সময়ে ইউটিলিটি শিফটিং বা অন্যান্য নির্মাণকাজ একসঙ্গে সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এমআরটি, সেতু কর্তৃপক্ষ, সড়ক বিভাগ, সিটি করপোরেশন, ওয়াসা ও ডেসাসহ অন্যান্য সংস্থার মেগা প্রকল্পগুলোর কাজ তদারকির জন্য ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয়েছে। সার্বিক কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য প্রতি ১৫ দিন পর পর এই সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কর্মকর্তা পর্যায়ে সাব-কমিটির মাধ্যমে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হবে।
"এই সমন্বয় সভা ও নির্দেশনা দিয়ে আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে, নগরবাসীরা স্বস্তিতে চলাফেরা করতে পারেন এবং প্রকল্পসমূহের কাজ বাধাহীনভাবে চলতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, সচিবালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালাহউদ্দিন আহমদ (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৫ দিন পর পর সমন্বয় সভা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!