📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৭:৪২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঠোঁটের গঠন আর অভ্যাসই নির্ধারণ করে শিস দেওয়ার ক্ষমতা

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: নাজমুল হোসেন শান্ত নাজমুল হোসেন শান্ত
ঠোঁটের গঠন আর অভ্যাসই নির্ধারণ করে শিস দেওয়ার ক্ষমতা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শিস দেওয়ার ক্ষমতা নির্ভর করে মুখের গঠন ও নিয়মিত চর্চার ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা জানিয়েছেন, বেশির ভাগ মানুষই নিয়মিত চেষ্টা করলে শিস দেওয়া শিখতে পারে। তবে জন্মগত তালুগত সমস্যা থাকলে তা অসম্ভব হয়ে পড়ে

শিস দেওয়া বেশির ভাগ মানুষের জন্যই একটি সহজ ব্যাপার হলেও অনেকে কখনোই তা আয়ত্ত করতে পারেন না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মুখের গঠন ও নিয়মিত চর্চার ওপর নির্ভর করে শিস দেওয়ার ক্ষমতা। যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির অধ্যাপক ফ্রান্সিসকো রুইজের গবেষণা অনুযায়ী, বেশির ভাগ মানুষই নিয়মিত চেষ্টা করলে শিস দেওয়া শিখতে পারে। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে জন্মগত শারীরবৃত্তীয় সমস্যার কারণে তা অসম্ভব হয়ে পড়ে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 শিস দেওয়ার জন্য ঠোঁটের পেছনের দিকে চেপে ধরে একটি ছোট ফাঁকা অংশ তৈরি করতে হয়
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির অধ্যাপক ফ্রান্সিসকো রুইজ শিসের শব্দ ও কৌশল নিয়ে গবেষণা করেন
  • 📌 মুখের ভেতরে জিহ্বা ও তালুর সঠিক অবস্থান না থাকলে শিস দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে
  • 📌 জন্মগত তালুগত সমস্যা থাকলে শিস দেওয়া সম্ভব নয়
  • 📌 বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিস দেওয়া শেখা কিছুটা কঠিন হয়ে পড়ে

📰 বিস্তারিত

শিস দেওয়ার সময় মুখের ভেতরে থাকা ঠোঁট, জিহ্বা ও তালু মিলে একটি বিশেষ কৌশল তৈরি করে। অধ্যাপক ফ্রান্সিসকো রুইজের মতে, বেশির ভাগ মানুষের জন্যই শিস দেওয়া একটি চর্চার বিষয়। এটি অনেকটা সাইকেল চালানো শেখার মতো। প্রথমে অনেকবার ভুল হতে পারে, কিন্তু নিয়মিত চেষ্টা করলে একসময় আয়ত্তে চলে আসে। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে জন্মগতভাবে মুখের ভেতরের গঠনে ত্রুটি থাকলে শিস দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে। বিশেষ করে তালু কাটা থাকলে মুখ দিয়ে বাতাস চলাচলের সরু ফাঁকাটি তৈরি হতে পারে না।

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মুখের পেশিগুলো কম নমনীয় হয়ে পড়ে। ফলে বড়দের জন্য শিস দেওয়া শেখা কিছুটা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। গবেষক মরিন স্টোন বড় বয়সে শিস শেখাকে একটি নতুন ভাষা শেখার সঙ্গে তুলনা করেছেন। ছোট শিশুরা যেমন যেকোনো ভাষা সহজে আয়ত্ত করতে পারে, বড়দের ক্ষেত্রে তা অতটা সহজ হয় না।

শিস দেওয়ার সময় গলার ভোকাল কর্ড সম্পূর্ণ শান্ত থাকে। মুখ ও ঠোঁট মিলে পুরো কাজটি সম্পন্ন করে। বিজ্ঞানীরা একে বলেন ভোকাল ট্র্যাক্ট। ঠোঁট সামনে একটি ছোট ফাঁকা জায়গা তৈরি করে, আর জিহ্বার পেছনের অংশ মুখের তালুর দিকে উঠে গিয়ে পেছনে আরও একটি সরু ফাঁকা তৈরি করে। এ দুই ফাঁকার ভেতর দিয়ে বাতাস যাওয়ার সময় একটি বিশেষ প্রক্রিয়া তৈরি হয়, যা শিসের স্পষ্ট ও মিষ্টি সুর তৈরি করে।

"শিস দেওয়ার সময় গলার ভোকাল কর্ড খোলা ও সম্পূর্ণ শান্ত থাকে। মুখ ও ঠোঁট মিলে পুরো কাজটি সম্পন্ন করে। বিজ্ঞানীরা এ পথকে বলেন ভোকাল ট্র্যাক্ট।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফ্রান্সিসকো রুইজ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০ ডেসিবেল

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖