📅 ২০ আগস্ট ২০২৬, ৩:০৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কলকাতা অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাংবাদিক দেবাশীষ ও পরিবারের সদস্যরা, মহিমার কাছে রয়ে গেল অপূর্ণ প্রতিশ্রুতি

কলকাতা অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাংবাদিক দেবাশীষ ও পরিবারের সদস্যরা, মহিমার কাছে রয়ে গেল অপূর্ণ প্রতিশ্রুতি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত হন সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত ও তাঁর পরিবারের চার সদস্য। তাঁদের ফিরে আসার অপেক্ষায় ছিল মাত্র সাত বছরের মেয়ে মহিমা। বাবার প্রতিশ্রুতি ছিল জামা ও চকলেট নিয়ে ফিরবেন, কিন্তু তা আর পূরণ হলো না

কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেল শিখা ইনায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেছেন বাংলাদেশি সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত, তাঁর স্ত্রী আফসানা শারমিন, তিন বছরের ছেলে স্বর্ণ শীষ দত্ত এবং শ্বশুর আকরাম আলী। ঘটনাটি ঘটে গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে। তাঁদের ফিরে আসার অপেক্ষায় ছিল কুষ্টিয়ার মেয়ে মহিমা দত্ত।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কলকাতার হোটেল শিখা ইনায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত হন সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত ও তাঁর পরিবারের চার সদস্য
  • 📌 গত মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে ঘটে যাওয়া অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু ঘটে চারজনের
  • 📌 মহিমা দত্তের বাবা দেবাশীষ তাঁকে বলেছিলেন, তাঁর জন্য জামা ও চকলেট কিনেছেন
  • 📌 মহিমার বয়স সাত বছর; সে এখনো বুঝতে পারেনি তার পরিবারের সবাই চিরতরে হারিয়ে গেছেন
  • 📌 দেবাশীষের পরিবারের সদস্যরা ভারতে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন; পরদিন কলকাতায় ফিরে আসেন

📰 বিস্তারিত

গত মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে দেবাশীষ দত্ত তাঁর সাত বছরের মেয়ে মহিমার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। তিনি মহিমাকে বলেছিলেন, তাঁর জন্য তিনি জামা ও চকলেট কিনেছেন। মহিমার বাবা আরও বলেছিলেন, আজ বুধবার দুপুরের মধ্যে তিনি দেশে ফিরবেন। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি আর রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। মহিমার ছোট ভাই স্বর্ণ শীষ দত্তসহ পুরো পরিবারই অগ্নিকাণ্ডে নিহত হন।

দেবাশীষ দত্তের বাবা দিলীপ দত্ত জানান, তাঁরা চলতি মাসের ৩ তারিখ ভারতে চিকিৎসার জন্য যান। পরদিন তাঁরা বেঙ্গালুরুতে চিকিৎসা নিতে যান। সেখানে চিকিৎসা শেষে সোমবার রাতে তাঁরা কলকাতায় ফেরেন। তাঁদের দেশে ফেরার কথা ছিল বুধবার সকালে। কিন্তু তার আগেই ঘটে যায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।

কুষ্টিয়ার এডুকেয়ার স্কুলের কেজি শ্রেণির শিক্ষার্থী মহিমা এখনো বুঝতে পারেনি তার পরিবারের সবাই হারিয়ে গেছেন। শোকাবহ পরিবেশে মহিমার সঙ্গে কথা বলার সময় দেখা যায়, সে শুধু জানে তার বাবা তার জন্য জামা ও চকলেট কিনেছেন। মহিমার দাদা স্বপ্না দত্ত জানান, তাঁর ছেলে দেবাশীষ ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তাঁর মৃত্যুতে পুরো পরিবার শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছে।

"আমার ছেলে ছিল পরিবারের একমাত্র ছেলে। তাঁর উপরই নির্ভরশীল ছিল পুরো পরিবার। কর্মজীবনে সাংবাদিকতার পাশাপাশি পরিবারের দায়িত্বও সামলাতেন তিনি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিট, হোটেল শিখা ইন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মহিমা দত্ত, দেবাশীষ দত্ত, আফসানা শারমিন, স্বর্ণ শীষ দত্ত, আকরাম আলী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মৃত্যু ঘটে চারজনের, মহিমার বয়স সাত বছর, স্বর্ণ শীষের বয়স তিন বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖