📌 কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাজারের উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রের জমিতে মার্কেট নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জেলা প্রশাসক ভিপি খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল ও সিইও মোছা. মোস্তারি কাদেরীর বিরুদ্ধে জনস্বার্থের আন্দোলন শুরু হয়েছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন, সচল হাসপাতালের জমি নিজস্ব নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ভুল বোঝানো হচ্ছে
কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাজারের উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রের জমিতে মার্কেট নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জেলা প্রশাসক ভিপি খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোছা. মোস্তারি কাদেরীর বিরুদ্ধে স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। স্থানীয় সচেতন নাগরিকেরা দাবি করছেন, স্বাধীনতার আগে প্রতিষ্ঠিত এই উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রের জমি রক্ষা করা এবং প্রতিষ্ঠানটিকে আধুনিক হাসপাতালে রূপান্তর করা উচিত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাজারের উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রের জমিতে মার্কেট নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জেলা প্রশাসক ভিপি খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল ও সিইও মোস্তারি কাদেরীর বিরুদ্ধে জনস্বার্থের আন্দোলন শুরু হয়েছে।
- 📌 স্থানীয়রা দাবি করছেন, হাসপাতালের জমি নিজস্ব নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ভুল বোঝানো হয়েছে। সচল হাসপাতালটিকে পরিত্যক্ত দেখিয়ে জমিটি নিজেদের অধীনে নেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ।
- 📌 হাসপাতালের পেছনের পুরোনো ভবন ভাঙার চেষ্টা করা হয়েছে এবং নতুন ইটের স্টক দেখা গেছে। প্রতি দোকানের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ লাখ টাকা।
- 📌 উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রের জমির ৪৬ শতাংশ স্বাস্থ্য বিভাগের নামে রেকর্ড রয়েছে, কিন্তু সিএস খতিয়ানে জমিটি জেলা পরিষদের নামে রেকর্ড করা হয়েছে।
- 📌 উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানান, প্রতিদিন শতাধিক রোগী ও গর্ভবতী নারী এই কেন্দ্র থেকে চিকিৎসা নেন। পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম ২০ শয্যার একটি ডায়াবেটিক হাসপাতাল স্থাপনের চেষ্টা করছেন।
📰 বিস্তারিত
কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাজারের উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রের জমিতে মার্কেট নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন, জেলা প্রশাসক ভিপি খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোছা. মোস্তারি কাদেরীর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বাধীনতার আগে এই এলাকায় মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। কেন্দ্রটি দীর্ঘদিন ধরে সচল রয়েছে, তবে ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে হাসপাতালের জমি নিয়ে বিভিন্ন মহলের তৎপরতা শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
সকালে জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সিইও সহ স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এ সময় হাসপাতালের পেছনের পুরোনো ভবন ভাঙার চেষ্টা করা হয়, যা নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি করে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মার্কেট নির্মাণের জন্য ইট আনা হয়েছে এবং প্রতি দোকানের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ লাখ টাকা। উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা জারকা বেগম বলেন, প্রতিদিন শতাধিক রোগী ও গর্ভবতী নারী এই কেন্দ্র থেকে চিকিৎসা নেন। তিনি দাবি করেন, হাসপাতালটিকে আরও উন্নত করে আধুনিক চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।
উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়, ভৈরব উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রের নামে থাকা বিএস খতিয়ান নম্বর ৪-এর ৯০১৭ দাগে প্রায় ৪৬ শতাংশ জমি স্বাস্থ্য বিভাগের নামে রেকর্ড রয়েছে। তবে সিএস খতিয়ানে জমিটি জেলা পরিষদের নামে রেকর্ড করা হয়েছে। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এএইচএম আজিমুল হক বলেন, ২০১৯ সালে আন্তমন্ত্রণালয়ের এক সভার কার্যবিবরণীতে পরিত্যক্ত উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো জেলা পরিষদের অধীনে নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তবে সেখানে মার্কেট নির্মাণ করা হবে কি না, সে বিষয়ে তাঁকে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কিশোর কুমার ধর জানান, এ বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জনের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন। তিনি বলেন, প্রতিদিন শতাধিক রোগী বহির্বিভাগের চিকিৎসা নেন। এখানে একজন মেডিকেল অফিসার, একজন উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার, একজন মিডওয়াইফ, একজন ফার্মাসিস্ট ও একজন অফিস সহায়ক কর্মরত রয়েছেন। পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম ২০ শয্যার একটি ডায়াবেটিক হাসপাতাল স্থাপনের জন্য চেষ্টা করছেন।
"সচল উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রটিকে পরিত্যক্ত দেখিয়ে জমিটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ভুল বোঝানো হয়েছে। প্রতিদিন শতাধিক রোগী ও গর্ভবতী নারী এ কেন্দ্র থেকে চিকিৎসাসেবা নেন। হাসপাতালটি আরও উন্নত করে আধুনিক চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভৈরব বাজার, কিশোরগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেলা প্রশাসক ভিপি খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, সিইও মোছা. মোস্তারি কাদেরী, জারকা বেগম, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা কিশোর কুমার ধর, উপজেলা সহকারী কমিশনার এএইচএম আজিমুল হক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫ লাখ টাকা (প্রতি দোকানের দাম), ৪৬ শতাংশ (জমির স্বাস্থ্য বিভাগের অংশ), ২০ শয্যা (ডায়াবেটিক হাসপাতালের পরিকল্পনা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!