📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কিডনি বিক্রির প্রতারণায় প্রধান দালাল গ্রেপ্তার, নেপালে অস্ত্রোপচারের পর টাকা দাবি না দেওয়ার অভিযোগ

কিডনি বিক্রির প্রতারণায় প্রধান দালাল গ্রেপ্তার, নেপালে অস্ত্রোপচারের পর টাকা দাবি না দেওয়ার অভিযোগ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় কিডনি বিক্রির প্রতারণায় জড়িত প্রধান দালাল আব্দুস সাত্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নেপালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কিডনি অপসারণের পর ভুক্তভোগীকে টাকা না দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে

জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় কিডনি বিক্রির প্রতারণায় জড়িত প্রধান দালাল আব্দুস সাত্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বুধবার রাতে বগুড়া সদর উপজেলার পৌরপার্ক এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় কিডনি বিক্রির প্রতারণায় প্রধান দালাল আব্দুস সাত্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ
  • 📌 গ্রেপ্তার আব্দুস সাত্তার (৫৪) কালাই উপজেলার বহুতি গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বার খলিফার ছেলে
  • 📌 তার বিরুদ্ধে কিডনি কেনাবেচাসহ কালাই থানায় পাঁচটি মামলা রয়েছে
  • 📌 গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের মন্টু মিয়াকে ১০ লাখ টাকার প্রলোভনে কিডনি বিক্রিতে রাজি করানো হয়
  • 📌 মন্টু মিয়াকে নেপালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার একটি কিডনি অপসারণ করা হয়
  • 📌 দেশে ফেরার পর মন্টু মিয়া বাকি ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা দাবি করলে দালালেরা টাকা না দিয়ে টালবাহানা করতে থাকেন

📰 বিস্তারিত

কালাই উপজেলায় কিডনি বিক্রির প্রতারণায় জড়িত প্রধান দালাল আব্দুস সাত্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বুধবার রাতে বগুড়া সদর উপজেলার পৌরপার্ক এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা দীপেন্দ্র নাথ সিংহ জানান, আব্দুস সাত্তার দীর্ঘদিন ধরে কিডনি কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের অন্যতম প্রধান দালাল ছিলেন। তার বিরুদ্ধে কালাই থানায় পাঁচটি মামলা রয়েছে বলে জানানো হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ এলাকার মন্টু মিয়াকে ১০ লাখ টাকার প্রলোভনে কিডনি বিক্রিতে রাজি করানো হয়। তাকে ঢাকায় নিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো হয় এবং নেপালের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার একটি কিডনি অপসারণ করা হয়। দেশে ফেরার পর মন্টু মিয়া বাকি ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা দাবি করলে দালালেরা টাকা না দিয়ে টালবাহানা করতে থাকেন।

গত ১৩ জুন জয়পুরহাট আমলি আদালতে মন্টু মিয়া মামলা করেন। মামলায় বগুড়া সদর উপজেলার নিশিন্দারা গ্রামের সাব্বির আহমেদ, শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক মল্লিকপাড়া গ্রামের সুমন আলী, কালাই উপজেলার উদয়পুর ইউনিয়নের পাইকপাড়া গ্রামের আব্দুল মান্নান ও সাইদুর রহমান, লওনা গ্রামের আব্দুস সাত্তার এবং নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ছোট হোসেনপুর রাজাগঞ্জ এলাকার তারেক আজম ওরফে বাবলু চৌধুরীকে আসামি করা হয়।

"কিডনি-সংক্রান্ত প্রতারণার মামলাটি থানায় গ্রহণের পর এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করা হয়। প্রযুক্তির সহায়তায় গতকাল রাতে বগুড়া সদরের পৌরপার্ক এলাকায় অভিযান চালিয়ে আব্দুস সাত্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জয়পুরহাটের কালাই উপজেলা, বগুড়া সদর উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুস সাত্তার (৫৪), মন্টু মিয়া
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ লাখ টাকা, ৫৪ বছর, ৫০ হাজার টাকা, ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ৫টি মামলা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖