📌 পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণের কারণে কাপ্তাই হ্রদের পানি বিপদসীমার কাছাকাছি পৌঁছালে পর্যটকদের জন্য বিখ্যাত ঝুলন্ত সেতুটি পানিতে তলিয়ে গেছে। বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন সাময়িকভাবে সেতুতে চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।
পাহাড়ি ঢল ও অব্যাহত ভারী বর্ষণের ফলে কাপ্তাই হ্রদের পানি বিপদসীমার কাছাকাছি পৌঁছালে রাঙ্গামাটির বিখ্যাত পর্যটন স্পট ঝুলন্ত সেতুটি পানিতে ডুবে গেছে। এ অবস্থায় পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন সাময়িকভাবে সেতুটি ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কাপ্তাই হ্রদের পানি বিপদসীমার কাছাকাছি পৌঁছানোয় ঝুলন্ত সেতুর বেশিরভাগ অংশ পানিতে ডুবে গেছে
- 📌 পর্যটকদের চলাচলে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন
- 📌 সেতুটি পর্যটকদের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় হলেও বর্তমানে সম্পূর্ণ বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে
- 📌 কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তথ্যমতে হ্রদে বিদ্যুৎ উৎপাদন চলমান রয়েছে
📰 বিস্তারিত
শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন ঝুঁকি এড়াতে পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে ঝুলন্ত সেতুতে সাময়িকভাবে চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। স্থানীয় সূত্র জানায়, গত কয়েকদিনের প্রবল বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে কাপ্তাই হ্রদের পানি বিপদসীমার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। ফলে হ্রদের ওপর নির্মিত নয়নাভিরাম ঝুলন্ত সেতুটির পাটাতন পানিতে ডুবে যায়।
বর্তমানে সেতুটির বেশিরভাগ অংশ পানির নিচে থাকায় এটি পর্যটকদের পারাপারের জন্য বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে। প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে হ্রদের পানি বাড়লে সেতুটি তলিয়ে যায়। সেতুটি দেখতে আসা দূর-দূরান্তের পর্যটকরা সাময়িক নিষেধাজ্ঞার কারণে কিছুটা হতাশ হয়ে ফিরছেন।
"পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। হ্রদের পানি কমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ঝুলন্ত সেতুতে পর্যটক প্রবেশ ও চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কাপ্তাই হ্রদ, রাঙ্গামাটি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অলোক বিকাশ চাকমা (রাঙ্গামাটি পর্যটন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ আগস্ট, বিদ্যুৎ উৎপাদন ২২ মেগাওয়াট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!