📌 ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ডিসেম্বরের মধ্যে কাঁচপুরে নির্মিত নতুন বাস টার্মিনালে চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা ও নোয়াখালীসহ ১৬ জেলার দূরপাল্লার বাস স্থানান্তর করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। টার্মিনালের নির্মাণ কাজের গড় অগ্রগতি ৩০ শতাংশে পৌঁছেছে
ঢাকার দূরপাল্লার বাস পরিবহনের নতুন যুগ শুরু হতে যাচ্ছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ডিসেম্বরের মধ্যে কাঁচপুরে নির্মিত নতুন আন্তজেলা বাস টার্মিনালে চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, নোয়াখালীসহ মোট ১৬ জেলার দূরপাল্লার বাস স্থানান্তর করার পরিকল্পনা নিশ্চিত করেছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে রাজধানীর যানজট হ্রাস এবং পরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে কাজ চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডিসেম্বরের মধ্যে উদ্বোধন: কাঁচপুর বাস টার্মিনালে ১৬ জেলার দূরপাল্লার বাস স্থানান্তর করা হবে। নির্মাণ কাজের গড় অগ্রগতি ৩০ শতাংশে পৌঁছেছে।
- 📌 ৪০৫টি বাস ধারণ ক্ষমতা: ১২ একর জমিতে নির্মিত টার্মিনালে ৩৭৮টি বাস পার্কিং, ২২টি বাস বে, ৫টি ওয়াশিং বে এবং ৪০টি গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে।
- 📌 অস্থায়ী শেড থেকে স্থায়ী অবকাঠামো: প্রথমে অস্থায়ী শেড নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পরে স্থায়ী অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে।
- 📌 শাটল সার্ভিসের পরিকল্পনা: কাঁচপুর থেকে সায়েদাবাদ পর্যন্ত বিশেষ শাটল সার্ভিস চালু করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।
- 📌 ৫০ কোটি টাকা ব্যয়: টার্মিনাল নির্মাণের মোট খরচ প্রায় ৫০ কোটি টাকা। সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের কাজ ৭৫ শতাংশ এবং অভ্যন্তরীণ প্ল্যাটফর্ম তৈরির কাজ ২৫ শতাংশ শেষ হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
কাঁচপুর বাস টার্মিনালের নির্মাণকাজের পরিদর্শন শেষে ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দ্রুততম সময়ে টার্মিনাল নির্মাণের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে সেখানে অস্থায়ী শেড নির্মাণ করা হবে এবং ধীরে ধীরে স্থায়ী অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে। বর্তমানে টার্মিনালের নির্মাণ কাজের গড় অগ্রগতি ৩০ শতাংশে পৌঁছেছে। সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের কাজ ৭৫ শতাংশ এবং অভ্যন্তরীণ প্ল্যাটফর্ম তৈরির কাজ ২৫ শতাংশ শেষ হয়েছে।
প্রশাসক আবদুস সালাম আরও বলেছেন, কাঁচপুরে দূরপাল্লার বাস স্থানান্তর করার ফলে ঢাকার মূল শহরে যানজট হ্রাস পাবে। তবে কাঁচপুরে বাস নামার পর ঢাকাগামী যাত্রীদের যাতায়াতের সমস্যা সমাধানের জন্য কাঁচপুর থেকে সায়েদাবাদ পর্যন্ত বিশেষ ‘শাটল সার্ভিস’ চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। পরিবহনমালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে এই সেবা চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
গত ২৪ জুন কাঁচপুর এলাকা পরিদর্শন করে সড়ক পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ ছয় মাসের মধ্যে টার্মিনালের কাজ শেষ করার কথা জানিয়েছিলেন। এরপর ৮ জুলাই অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি কাঁচপুর টার্মিনালে শেড, টিকিট কাউন্টার, টয়লেট ও অফিসকক্ষসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের প্রস্তাব নীতিগতভাবে অনুমোদন করে।
"প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন বাস্তবায়নে দ্রুততম সময়ে টার্মিনাল নির্মাণের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে অস্থায়ী শেড নির্মাণ করা হবে।" — মো. আবদুস সালাম, ডিএসসিসি প্রশাসক
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কাঁচপুর বাস টার্মিনাল, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আবদুস সালাম (ডিএসসিসি প্রশাসক), হাবিবুর রশীদ (সড়ক পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ জেলা, ৫০ কোটি টাকা, ৩০ শতাংশ, ৭৫ শতাংশ, ২৫ শতাংশ, ১২ একর, ৪০৫টি বাস ধারণ ক্ষমতা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!