📌 যশোরে ইসলামী ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে সাত লাখ টাকা আত্মসাৎ মামলায় চীনা নাগরিকসহ দুই প্রতারককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত চলছে
যশোরে ইসলামী ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে সাত লাখ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে চীনা নাগরিক চাও শিংসহ দুই প্রতারককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে যশোর শহরের আরএন রোড এলাকা থেকে স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যশোরের আরএন রোড এলাকা থেকে চীনা নাগরিক চাও শিং ও ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তার
- 📌 ইসলামী ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে সাত লাখ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ
- 📌 যশোর আইটি পার্কের কর্মী পরিচয়ে প্রতারণার ঘটনা ঘটানো হয়েছে
- 📌 মিঠু হার্ডওয়্যার স্টোরের মালিক মিঠু মজুমদারের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা সরানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
যশোর শহরের আরএন রোড এলাকা থেকে স্থানীয়দের সহায়তায় চীনা নাগরিক চাও শিং ও ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তার করেছে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ। তারা ইসলামী ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে সাত লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গ্রেপ্তার দুই ব্যক্তি বর্তমানে থানার হেফাজতে রয়েছেন।
যশোর আইটি পার্কে কর্মরত পরিচয়ে ইমরানসহ কয়েকজন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে মিঠু হার্ডওয়্যার স্টোর থেকে বিভিন্ন পণ্য ক্রয় করতেন। গত ১৭ আগস্ট একই পরিচয়ে ইমরান, চাও শিংসহ কয়েকজন দোকানে আসেন এবং ৪৬ হাজার টাকার পণ্য ক্রয় করেন। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সাত লাখ টাকা মিঠুর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হয়। প্রতারকরা তাকে জানান, পণ্যের মূল্য বাদে বাকি টাকার বিনিময়ে একটি ব্যাংক চেক দিতে হবে। পরিচিত হওয়ায় তিনি চেকটি প্রদান করেন। পরবর্তীতে প্রতারকরা চেক ব্যবহার করে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে পালিয়ে যান।
কিছুক্ষণ পর ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ মিঠু মজুমদারকে ব্যাংকে ডেকে পাঠায়। সেখানে তিনি জানতে পারেন, ঢাকার টঙ্গি এলাকার একটি ইসলামী ব্যাংকের শাখার গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সাত লাখ টাকা স্থানান্তর করা হয়েছিল। পরে সেই টাকা চেকের মাধ্যমে উত্তোলন করা হয়। বিষয়টি জানার পর তিনি থানায় একটি জিডি করেন।
মিঠু মজুমদার আরও জানান, প্রতারণার ঘটনায় শেষ পর্যন্ত দায় তার ওপরই এসে পড়ে। এরই মধ্যে বুধবার বিকেলে আরএন রোড এলাকার আরেকটি দোকানে চাও শিং ও ইব্রাহিমকে দেখতে পান তিনি। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
"প্রতারক চক্রটি ব্যাংক চেক ব্যবহার করে টাকা উত্তোলন করে পালিয়ে যান। বিষয়টি নিয়ে পুলিশের একটি বিশেষ টিম কাজ করছে। ঘটনার সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং হ্যাক হওয়া ব্যাংক হিসাব থেকে কীভাবে টাকা স্থানান্তর ও উত্তোলন করা হয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যশোর শহরের আরএন রোড এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: চাও শিং, ইব্রাহিম, মিঠু মজুমদার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ লাখ টাকা, ৪৬ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!