📌 বিরোধী দলের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বেরিয়ে যাওয়ার আলোচনা নিয়ে জামায়াত আমিরের মন্তব্য। তিনি বলেন, যার বাড়িতে বিয়ে তার দায়িত্ব, পাড়া-পড়শির উদ্বেগ নয়। একইসঙ্গে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলনের ঘোষণা
বিরোধী দলের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বেরিয়ে যাওয়ার আলোচনা প্রসঙ্গে জামায়াত ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ঐক্যের প্রধান শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘যার বাড়িতে বিয়ে তার ঠেকা নাই, আর পাড়া-পড়শির ঘুম নাই—এ রকম বিষয়।’ আজ মঙ্গলবার রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিরোধী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য থেকে এনসিপির বেরিয়ে যাওয়ার আলোচনা প্রসঙ্গে জামায়াত আমিরের মন্তব্য
- 📌 জামায়াত নেতা বলেন, ‘যার বাড়িতে বিয়ে তার দায়িত্ব, পাড়া-পড়শির উদ্বেগ নয়’
- 📌 ১১ দল থেকে দুটি দল বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়ে বিরোধী নেতার অভিজ্ঞতা তুলে ধরা
- 📌 গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ঐক্যের আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা
- 📌 সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের বিরোধী দলের আসনে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ার সমালোচনা
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিরোধী দলের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বেরিয়ে যাওয়ার আলোচনা নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এ প্রসঙ্গে জামায়াত ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ঐক্যের প্রধান শফিকুর রহমান বলেন, ‘যার বাড়িতে বিয়ে তার দায়িত্ব, পাড়া-পড়শির উদ্বেগ নয়।’ তিনি স্পষ্ট করেন যে, এ ধরনের বিষয় নিয়ে আলোচনা করা উচিত নয়।
এ সময় জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জাহিদুর রহমানসহ এনসিপি, ছাত্রশক্তি, যুবশক্তি ও নারীশক্তির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বিরোধী নেতা শফিকুর রহমান তাঁর জোট রাজনীতির অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, ‘প্রথমে আমরা চার দল ছিলাম। এরশাদ সাহেব বের হয়ে গেলেন। তারই একটা অংশ নাজিউর রহমান মঞ্জুর সাহেব থাকলেন, থেকে একটা জাতীয় পার্টি গঠন করলেন। চার দল থাকল। এরপরে ১৮ দল হলো, এরপরে ২০ দল। শেষ পর্যন্ত আমরা ২৭ দল গুনেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তো সেই অর্থে কোনো ফরমাল জোট না। আমরা একটা নির্বাচনী ঐক্য করেছি। আর এখন জনগণের স্বার্থে আমরা একসঙ্গে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি।’ ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তাঁরা ‘হোমওয়ার্ক’ শুরু করেছেন। শরিক দলগুলোর সম্ভাবনাময় ব্যক্তিদের পাশাপাশি দেশ-বিদেশে থাকা যোগ্য ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদেরও এ কাজে যুক্ত করা হবে বলে জানান তিনি।
‘আমরা তো কাউকে আসলে জোর খাটাতে পারি না। এ অধিকার আমাদের নাই। গণতন্ত্রে তার প্ল্যাটফর্ম চয়েস করার অধিকার প্রত্যেকেরই থাকবে। তবে আমরা চেষ্টা করব দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এই ঐক্যকে আরও শক্তিশালী করার।’
বিরোধী দল বঞ্চিত হচ্ছে সংসদ ও সংসদের বাইরে বিরোধী দল তার প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন জামায়াতের আমির। তিনি বলেন, সরকারি দলের সংসদ সদস্যদের আসনে যে পরিমাণ বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে, বিরোধী দলের আসনের বরাদ্দ তার ধারেকাছেও নেই।
সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের বিরোধী দলের আসনে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ারও সমালোচনা করেন শফিকুর রহমান। তাঁর ভাষ্য, সংবিধানে এ ধরনের কোনো বিধান নেই এবং অতীতেও সাংসদীয় গণতন্ত্রে এমন নজির ছিল না।
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করার অভিযোগ তুলে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘ইলেকশনে যখনই তাঁরা একটা বড় বিজয় যেভাবেই হোক পেয়ে গেলেন, এখন তাঁরা ওটা ভুলে গেলেন। এখন গণভোটের রায় তাঁরা আর বাস্তবায়ন করবেন না।’
জামায়াত আমির বলেন, দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ কার্যকর পরিবর্তনের আশায় গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন। এই রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১-দলীয় ঐক্য আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। সংসদের ভেতরে সমাধান চাইলেও সরকার তাঁদের রাজপথে যেতে বাধ্য করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলামোটর, ঢাকা
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: শফিকুর রহমান, জাহিদুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১, ১৮, ২০, ২৭, ৭০
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!