📌 পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট বিক্রির অভিযোগে ইনস্টাগ্রাম প্রভাবশালী সুমাইয়া সাঈদকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। তার বিরুদ্ধে তিন হাজার ৫০০ টাকায় ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ বিক্রির অভিযোগ রয়েছে
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের অভিযানে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও বিক্রির অভিযোগে ইনস্টাগ্রাম প্রভাবশালী সুমাইয়া সাঈদ (২৫) গ্রেপ্তার হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে তিন হাজার ৫০০ টাকায় ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। একই ঘটনায় তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুক ও বাবা মো. আবু সাঈদকে মামলায় আসামি করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট বিক্রির অভিযোগে সুমাইয়া সাঈদ গ্রেপ্তার
- 📌 তিন হাজার ৫০০ টাকায় ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ বিক্রির অভিযোগ
- 📌 অভিযানে গ্রেপ্তার খাজা সাকলাইন ফারুক ও মো. আবু সাঈদকে আসামি করা হয়েছে
- 📌 অভিযান চালানো হয়েছে রাজধানীর ভাটারা থানা এলাকায়
📰 বিস্তারিত
গত ১০ আগস্ট সাইবার মনিটরিংয়ের সময় সুমাইয়ার ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রাম আইডিতে আপত্তিকর কনটেন্ট এবং সেসব বিক্রির বিজ্ঞাপন পুলিশের নজরে আসে। অভিযোগ রয়েছে, এসব কনটেন্ট বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ফির বিনিময়ে বিক্রি করা হতো। এর মধ্যে তিন হাজার ৫০০ টাকায় ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ দেওয়ার বিজ্ঞাপনও ছিল। পরে প্রযুক্তির সহায়তায় সংশ্লিষ্টদের অবস্থান শনাক্ত করে মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর ভাটারা থানা এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় সুমাইয়ার কাছ থেকে একটি আইফোন-১৭ প্রো ম্যাক্স ও একটি ওয়ানপ্লাস স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, পরে সুমাইয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড্ডা থেকে তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পেরেছে, কয়েকজন সহযোগীর সঙ্গে যোগসাজশে সুমাইয়া একটি চক্র পরিচালনা করতেন। এ ছাড়া তার বাবা মেয়ের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানতেন এবং সেখান থেকে উপার্জিত অর্থ গ্রহণ করতেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
"গত ১০ আগস্ট সাইবার মনিটরিংয়ের সময় সুমাইয়ার ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রাম আইডিতে আপত্তিকর কনটেন্ট এবং সেসব বিক্রির বিজ্ঞাপন পুলিশের নজরে আসে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর ভাটারা থানা এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুমাইয়া সাঈদ, খাজা সাকলাইন ফারুক, মো. আবু সাঈদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: তিন হাজার ৫০০ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!