📌 পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরির অভিযোগে ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া সাঈদকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে অশ্লীল ভিডিও ও ছবি বিক্রির। একইসঙ্গে তার বাবাকেও অর্থ গ্রহণের অভিযোগে আসামি করা হয়েছে
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ সুমাইয়া সাঈদ নামে এক ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সারকে গ্রেফতার করেছে। তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরির অভিযোগ রয়েছে। একইসঙ্গে তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককেও গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকেও আসামি করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরির অভিযোগে ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া সাঈদ (২৫) গ্রেফতার
- 📌 তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ
- 📌 অভিযোগ উঠেছে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও বিক্রির
- 📌 সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকে অর্থ গ্রহণের অভিযোগে আসামি করা হয়েছে
- 📌 গত ১০ আগস্ট থেকে সাইবার মনিটরিংয়ের মাধ্যমে অভিযানের সূত্রপাত
📰 বিস্তারিত
সুমাইয়া সাঈদ নামে এক ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরির অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও বিক্রির। এ ঘটনায় তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককেও গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ১০ আগস্ট সাইবার মনিটরিংয়ের সময় তার ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রাম আইডিতে আপত্তিকর কনটেন্ট ও বিক্রির বিজ্ঞাপন পাওয়া যায়।
মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ফি নিয়ে (যেমন ৩ হাজার ৫০০ টাকায় লাইফটাইম প্যাকেজ) অশ্লীল কনটেন্ট বিক্রি করা হতো। এরপর প্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করে গত ১১ আগস্ট রাতে ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে সুমাইয়াকে গ্রেফতার করা হয়। তার কাছ থেকে একটি আইফোন-১৭ প্রো ম্যাক্স ও একটি ওয়ানপ্ল্যাস স্মার্টফোন জব্দ করা হয়।
পরে সুমাইয়ার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বাড্ডার ‘ঢাকা পপুলার ট্রাভেলস’ থেকে তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, কয়েকজন সহযোগীর সঙ্গে যোগসাজশে সুমাইয়া চক্রটি পরিচালনা করতেন।
"সুমাইয়ার বাবা মেয়ের অপকর্ম সম্পর্কে অবহিত ছিলেন এবং নিয়মিত এর অর্থ গ্রহণ করতেন।"
এ ঘটনায় রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর অধীনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার রহস্য উদঘাটন এবং চক্রের পলাতক অন্যসব আসামিদের গ্রেফতারের জন্য আদালতে গ্রেফতারকৃতদের তিনদিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা মহানগর এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুমাইয়া সাঈদ (২৫), খাজা সাকলাইন ফারুক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ হাজার ৫০০ টাকা, ১০ আগস্ট, ১১ আগস্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!