📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গুমের অভিযোগে স্বাধীন তদন্ত না থাকলে বিচার মিলবে না: মানবাধিকার কর্মীদের সতর্কবার্তা

গুমের অভিযোগে স্বাধীন তদন্ত না থাকলে বিচার মিলবে না: মানবাধিকার কর্মীদের সতর্কবার্তা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ আইনের খসড়ায় নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগের স্বাধীন তদন্তের সুযোগ সীমিত করার অভিযোগ তুলেছেন মানবাধিকার কর্মীরা। রাজধানীতে আয়োজিত সংলাপে তারা জানান, প্রস্তাবিত আইনে তদন্তের দায়িত্ব পুলিশ ও এসআরবির হাতে থাকলে প্রকৃত বিচার সম্ভব নয়

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, গুম প্রতিরোধ আইন ২০২৬-এর খসড়া এবং র‌্যাব-সংক্রান্ত প্রস্তাবিত আইনে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগের স্বাধীন তদন্তের সুযোগ খর্ব করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন মানবাধিকার কর্মী, অধিকারকর্মী ও গুমের শিকার ব্যক্তিরা। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বিডিবিএল ভবনে আয়োজিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ও গুম প্রতিরোধ আইন ২০২৬ (খসড়া): প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তবতা’ শীর্ষক সংলাপে তারা এ অভিমত ব্যক্ত করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ আইনের খসড়ায় নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগের স্বাধীন তদন্তের সুযোগ সীমিত করা হয়েছে
  • 📌 গুমের অভিযোগের তদন্ত পুলিশ বা স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) হাতে দেওয়া হলে প্রকৃত বিচার সম্ভব নয় বলে মত দিয়েছেন মানবাধিকার কর্মীরা
  • 📌 গুম কমিশনের কাছে দেড় হাজারের বেশি অভিযোগ জমা হলেও মাত্র ২৫০টি অভিযোগে প্রমাণ মিলেছে
  • 📌 জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ জরুরি বলে উল্লেখ করেন নূর খান লিটন
  • 📌 সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান জানান, প্রস্তাবিত আইন নিয়ে সরকার সংসদের আলোচনা উপেক্ষা করেছে

📰 বিস্তারিত

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আয়োজিত সংলাপে মানবাধিকার কর্মীরা অভিযোগ করেন, প্রস্তাবিত আইনগুলোতে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্তের দায়িত্ব তাদের নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের হাতে রাখা হয়েছে। গুম প্রতিরোধ আইনের খসড়ায় পুলিশকে অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন অধিকারকর্মীরা। এছাড়া স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তের ব্যবস্থাও প্রকৃত বিচারের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে বলে তারা সতর্ক করেন।

সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাবেক গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের সদস্য নাবিলা ইদ্রিস। তিনি জানান, গুম কমিশনের কাছে জমা হওয়া দেড় হাজারের বেশি অভিযোগের মধ্যে মাত্র ২৫০টি অভিযোগে প্রমাণ মিলেছে। তিনি বলেন, আগে অনেক ক্ষেত্রে পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ করত না, যার কারণে প্রকৃত তদন্ত সম্ভব হয়নি।

মানবাধিকার কর্মী ও আলোকচিত্রী শহিদুল আলম বলেন, নিরাপত্তা বাহিনীকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হলে তারা প্রকৃত অর্থে জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকতে পারেন না। তিনি উল্লেখ করেন, জনগণের করের টাকায় পরিচালিত নিরাপত্তা বাহিনীর কাজ জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া, কোনো সরকারের রাজনৈতিক স্বার্থে নয়।

সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান বলেন, প্রস্তাবিত আইন নিয়ে সরকার সংসদের আলোচনা উপেক্ষা করেছে। তিনি জানান, আগের সরকারের মতো একই ধরনের আচরণ নতুন সরকারের কাছ থেকে পেলে জুলাইয়ের শহীদদের আত্মত্যাগের অর্থ প্রশ্নবিদ্ধ হবে। তিনি আরও বলেন, গুম ও মানবাধিকার রক্ষায় কোনো রাজনৈতিক বিভাজনের সুযোগ নেই।

"গুমের অভিযোগের তদন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে দেওয়া হলে কার্যকর তদন্ত হবে না। প্রস্তাবিত আইনে নতুন বাহিনী স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তের যে ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, তা প্রকৃত তদন্তের সুযোগ তৈরি করে না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কারওয়ান বাজার, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নূর খান লিটন, নাবিলা ইদ্রিস, শহিদুল আলম, মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫০ (অভিযোগে প্রমাণ পাওয়া), ১১টা (সংলাপের আয়োজনের সময়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖