📌 পুলিশ কর্তৃক কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পূর্বঘোষিত পাচার ও দুর্নীতিবিরোধী গণসমাবেশের অনুমতি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ূম এই সিদ্ধান্তকে স্বৈরাচারী অভিহিত করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন
পুলিশ কর্তৃক কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত পূর্বঘোষিত পাচার ও দুর্নীতিবিরোধী গণসমাবেশের অনুমতি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ূম এই সিদ্ধান্তকে অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী হিসেবে অভিহিত করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অনুমতি প্রত্যাখ্যান: পুলিশ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পূর্বঘোষিত গণসমাবেশের অনুমতি দেয়নি।
- 📌 আয়োজক সংগঠন: রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, অহিংস গণ–অভ্যুত্থান বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ ভূমিহীন আন্দোলন।
- 📌 সমাবেশের উদ্দেশ্য: অর্থনৈতিক সংস্কার, পাচারকৃত অর্থ উদ্ধার ও প্রান্তিক মানুষকে সহজ শর্তে পুঁজি প্রদান।
- 📌 প্রতিবাদ কর্মসূচি: রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন।
📰 বিস্তারিত
রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ূম জানান, দেশের অর্থনৈতিক সংকট ও বেকারত্বের কারণে জনগণের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক সংস্কারের মাধ্যমে দেশকে রক্ষা করতে এবং পাচারকৃত অর্থ উদ্ধার করে প্রান্তিক মানুষকে সহজ শর্তে পুঁজি প্রদানের জন্য বিশেষ আইন প্রণয়নের দাবিতে এই সমাবেশ আয়োজিত হয়েছিল।
তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশ সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিকভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি গ্রহণ করলেও সমাবেশের অনুমতি প্রত্যাখ্যান করেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন রাজধানীর পুরানা পল্টনে অবস্থিত সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে একটি জরুরি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, "পুলিশের এই সিদ্ধান্ত স্বৈরাচারী ও অগণতান্ত্রিক। দেশের জনগণের অধিকার রক্ষায় আমরা অব্যাহতভাবে সংগ্রাম চালিয়ে যাব।"
"সংকট মোকাবিলা করতে, দেশ বাঁচাতে অর্থনৈতিক সংস্কারের দাবি এবং পাচার করা ও অবৈধ অর্থ উদ্ধার করে প্রান্তিক মানুষকে সহজ শর্তে পুঁজি দেওয়ার বিশেষ আইন প্রণয়নের দাবিতে এই পূর্বঘোষিত গণসমাবেশ ছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পুরানা পল্টন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাসনাত কাইয়ূম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ টা, ১০ টা, ২০ আগস্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!