📅 ২০ আগস্ট ২০২৬, ৩:১১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গ্যাস সংকটে অলস ২৯ বিদ্যুৎকেন্দ্র, লোডশেডিংয়ের নতুন রেকর্ডে জনদুর্ভোগ

গ্যাস সংকটে অলস ২৯ বিদ্যুৎকেন্দ্র, লোডশেডিংয়ের নতুন রেকর্ডে জনদুর্ভোগ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধির মধ্যেও জ্বালানি সংকটে দেশের ২৯ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতার অর্ধেক বিদ্যুৎকেন্দ্র অলস পড়ে রয়েছে। গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধির পর উৎপাদন কিছুটা বেড়েছে, তবে লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবনে ভোগান্তি অব্যাহত

শরতের আবহাওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা দিনে ১৪ হাজার থেকে ১৮ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত ওঠানামা করছে। গত ১০ আগস্ট মধ্যরাতে দেশে সর্বকালের সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট লোডশেডিং করা হয়। এমন পরিস্থিতিতেও উৎপাদন সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও জ্বালানি সংকটে দেশের মোট ২৯ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে অন্তত ২৯টি কেন্দ্র অলস অবস্থায় রয়েছে। এসব কেন্দ্র চালু হলে জাতীয় গ্রিডে অতিরিক্ত ৬ হাজার ৩১২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হতো, যার ফলে লোডশেডিংয়ের প্রয়োজনই হতো না।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা ২৯ হাজার মেগাওয়াট হলেও জ্বালানি সংকটে অর্ধেক কেন্দ্র অলস পড়ে রয়েছে
  • 📌 গ্যাসচালিত ২৯টি কেন্দ্র চালু হলে জাতীয় গ্রিডে অতিরিক্ত ৬ হাজার ৩১২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হতো
  • 📌 গত এপ্রিল থেকে বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে লোডশেডিংও নিয়মিতভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকে
  • 📌 বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৯ জুলাই উৎপাদন হয়েছিল মাত্র ১৪ হাজার ৭৬১ থেকে ১৪ হাজার ৭৯৯ মেগাওয়াট
  • 📌 দেশে গ্যাসের জাতীয় চাহিদার ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ ঘাটতি রয়েছে

📰 বিস্তারিত

বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধির কারণে গত এপ্রিল থেকে লোডশেডিং শুরু হয়। জুলাই মাসে তা নিয়মিতভাবে ১ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যায়। চলতি আগস্ট মাসে প্রায় প্রতিদিনই গড় লোডশেডিংয়ের পরিমাণ ২ হাজার মেগাওয়াট অতিক্রম করছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গত ২৯ জুলাই উৎপাদন হয়েছিল মাত্র ১৪ হাজার ৭৬১ থেকে ১৪ হাজার ৭৯৯ মেগাওয়াট, যা উৎপাদন সক্ষমতার মাত্র ৫১ শতাংশ। ওই দিন দেশে গড়ে দেড় থেকে দুই হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি ছিল।

পর্যবেক্ষকদের মতে, বিগত সরকারের সময় উৎপাদন বৃদ্ধির নামে নির্বিচারে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হলেও কেন্দ্রগুলোতে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়নি। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন না করেও ক্যাপাসিটি চার্জের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে সরকারঘনিষ্ঠ কেন্দ্রগুলো। দেশে কয়লা ও তরল জ্বালানির অভাব থাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

পিডিবির উৎপাদন বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানান, দেশে মোট ৫২টি গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে, যার উৎপাদন সক্ষমতা ১১ হাজার ৯৩৪ মেগাওয়াট। বিদ্যুতের চরম চাহিদার মধ্যেও গ্যাস সংকটে ২১টি কেন্দ্র সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। আর ৮টি কেন্দ্র আংশিক চালু আছে। ফলে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে।

পিডিবির অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনায় আরও দেখা যায়, রক্ষণাবেক্ষণের কারণে আরও ১১টি গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রয়েছে। গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সবচেয়ে সস্তা হলেও জ্বালানি সংকটে তা সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমান বাজারমূল্য অনুযায়ী গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্র থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় হয় ৫ থেকে ৬ টাকা। অন্যদিকে কয়লাভিত্তিক কেন্দ্র থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় হয় ১০ থেকে ১৪ টাকা।

বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধির সময় অর্থাৎ বিকেল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ব্যয়বহুল তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলো চালু করা হয়। এসব কেন্দ্র থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম দাঁড়ায় ২৫ থেকে ৩৫ টাকা।

"গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধির পর বিদ্যুৎ উৎপাদন কিছুটা বেড়েছে। আগস্টের শুরুতে যেখানে গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্র থেকে উৎপাদন ছিল সাড়ে ৪ হাজার মেগাওয়াট, তা এখন বেড়ে সাড়ে ৫ হাজার মেগাওয়াট হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দেশব্যাপী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কর্মকর্তা, পর্যবেক্ষক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ হাজার মেগাওয়াট, ৬ হাজার ৩১২ মেগাওয়াট, ৩ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖