📌 আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ভুক্তভোগীর ছেলে আশিকুর রহমান জানান, বিএনপির রাজনীতির কারণে তাঁর বাবা ও চাচাকে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়। তিনি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে প্রতিহিংসার অভিযোগ তোলেন
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ভুক্তভোগীর ছেলে আশিকুর রহমান আছিফ জানিয়েছেন, তাঁর বাবা কবির মোল্লা ও টিপু হাওলাদারকে শুধুমাত্র বিএনপির রাজনীতির কারণে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি আমার বাবা ও টিপু কাকার হত্যার বিচার চাই।’
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ভুক্তভোগীর ছেলে আশিকুর রহমানের জবানবন্দি দেওয়া হয়
- 📌 বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকায় তাঁর বাবা ও চাচাকে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ
- 📌 মামলায় চার আসামির মধ্যে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ও এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক
- 📌 ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আগৈলঝাড়া উপজেলায় দুই নেতাকে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়
- 📌 ভুক্তভোগীর ছেলে আশিকুর রহমান জানান, আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ তাঁদের ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন
📰 বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ভুক্তভোগীর ছেলে আশিকুর রহমান আছিফ জানিয়েছেন, তাঁর বাবা কবির মোল্লা ও টিপু হাওলাদারকে শুধুমাত্র বিএনপির রাজনীতির কারণে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি আমার বাবা ও টিপু কাকার হত্যার বিচার চাই।’
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ছাত্রদল ও জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) দুই নেতাকে ক্রসফায়ার দেওয়ার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার ১৩তম সাক্ষী হিসেবে আশিকুর এ জবানবন্দি দেন। তিনি জানান, তাঁর বাবা কবির মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং তাঁরা দুজন মিলে রাজনীতি করতেন।
আশিকুর বলেন, তাঁদের জনপ্রিয়তার কারণে তৎকালীন এমপি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ তাঁদের ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন এবং বিএনপির রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার জন্য প্রাণনাশের হুমকিসহ বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি দেখাতেন। তিনি জানান, আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর লোকজন তাঁদের বাড়িতে গিয়ে হুমকি দিতেন এবং তাঁর বাবাকে দল পরিবর্তনের জন্য চাপ দিতেন।
২০১৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি তাঁর বাবার নামে আগৈলঝাড়া থানায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয় বলে জানান আশিকুর। তিনি বলেন, একই দিন তাঁর বাবাকে কুরগাঁওয়ের বাসা থেকে ১২–১৩ জন লোক ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে নিয়ে যায়। পরে তাঁরা জানতে পারেন, তাঁর বাবা ও টিপুকে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে হত্যা করা হয়েছে।
"শুধু বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার জন্য আমার বাবা ও টিপু কাকার জনপ্রিয়তা দেখে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ক্ষিপ্ত হয়ে এসপি এহসানউল্লাহর মাধ্যমে এএসআই মাহাবুল ও এএসআই জসিমকে দিয়ে আমার বাবা ও টিপু কাকাকে খুন করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আশিকুর রহমান আছিফ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩, ২১, ২২, ১২–১৩
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!