📅 ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১:০০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গুম প্রতিরোধ আইনে স্বাধীন তদন্তের দাবিতে মানবাধিকারকর্মীদের সোচ্চার হওয়া জরুরি

গুম প্রতিরোধ আইনে স্বাধীন তদন্তের দাবিতে মানবাধিকারকর্মীদের সোচ্চার হওয়া জরুরি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ আইনে স্বতন্ত্র তদন্ত প্রক্রিয়া না থাকলে বিচার ও জবাবদিহির পথ আরও কঠিন হবে বলে মত দিয়েছেন মানবাধিকারকর্মী, আইনজীবী ও সাবেক গুম কমিশনের সদস্যরা। আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে আয়োজিত আলোচনা সভায় তাঁরা এমন দাবি তুলেছেন

মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ আইনে স্বতন্ত্র তদন্ত প্রক্রিয়া না থাকলে গুমের ঘটনায় বিচার ও জবাবদিহির পথ আরও কঠিন হয়ে উঠবে বলে মত দিয়েছেন মানবাধিকারকর্মী, আইনজীবী ও সাবেক গুম কমিশনের সদস্যরা। তাঁরা বলেছেন, স্বাধীন তদন্তের সুযোগ না রেখে আইন দুটি পাস করা হলে গুমের ঘটনায় দায়ীদের শাস্তি নিশ্চিত করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ আইনে স্বতন্ত্র তদন্ত প্রক্রিয়া না থাকলে বিচার ও জবাবদিহির পথ কঠিন হবে বলে মত দিয়েছেন মানবাধিকারকর্মী ও আইনজীবীরা
  • 📌 সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সারা হোসেন বলেন, নিজের বিচার কখনো নিজে করা যায় না, তাই তদন্ত প্রক্রিয়া পরিবর্তন না হলে তা ধোঁকাবাজি ছাড়া কিছু নয়
  • 📌 সাবেক গুম কমিশনের সদস্য নূর খান লিটন বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে তদন্তের ক্ষমতা না থাকলে এমন আইন থাকার চেয়ে না থাকাই ভালো
  • 📌 গুমের শিকার ভুক্তভোগী মীর আহমাদ বিন কাসেম বলেন, বর্তমান সংসদ হলো মজলুমদের মিলনমেলা, কিন্তু এমন আইন গুমের পথকে সুগম করবে
  • 📌 আলোকচিত্রী শহিদুল আলম বলেন, সরকারের উচিত নিরাপত্তা বাহিনীকে নিয়ন্ত্রণ করা, তাদের খুশি করার নয়

📰 বিস্তারিত

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় মানবাধিকারকর্মী, আইনজীবী ও সাবেক গুম কমিশনের সদস্যরা মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ আইনে স্বতন্ত্র তদন্ত প্রক্রিয়া না থাকার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাঁরা বলেছেন, স্বাধীন তদন্তের সুযোগ না রেখে আইন দুটি পাস করা হলে গুমের ঘটনায় বিচার ও জবাবদিহির পথ আরও কঠিন হয়ে উঠবে।

সভা আয়োজন করে হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)। এতে গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাঁদের পরিবারের সদস্য, মানবাধিকারকর্মী, আইনজীবী এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সারা হোসেন বলেন, তদন্ত করার প্রক্রিয়াটা যদি পরিবর্তন না হয় তাহলে আসলে একভাবে ধোঁকা দেওয়া হবে সবাইকে। কারণ, নিজের বিচার কখনো নিজে করা যায় না। একই সঙ্গে দুটি আইনই প্রয়োজন বলেও মনে করেন তিনি।

সাবেক গুম কমিশনের সদস্য নূর খান লিটন বলেন, মানবাধিকার কমিশনের হাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে সংগঠিত গুমের ঘটনা তদন্তের কার্যকর ক্ষমতা না থাকলে এমন আইন থাকার চেয়ে না থাকাই ভালো। তিনি বলেন, ‘এত পয়সাকড়ি খরচ করে আমরা পাঁচজন কমিশনারকে পালব, গাড়ি দেব, সিকিউরিটি দেব, অফিস দেব, কোনো দরকার নেই।’

গুমের পথকে সুগম করবে ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুমের শিকার ভুক্তভোগী মীর আহমাদ বিন কাসেম বলেন, বর্তমান সংসদ হলো মজলুমদের মিলনমেলা। সেখানে এমন কোনো সংসদ সদস্য নেই, যিনি বা তাঁর পরিবার গত ১৭ বছরে অত্যাচার–নির্যাতনের শিকার হননি।

আলোকচিত্রী শহিদুল আলম বলেন, সরকারকে মনে করিয়ে দিতে চাই যে...নিরাপত্তা বাহিনীকে খুশি করা আপনাদের কাজ না, আপনাদের নিজের স্বার্থ দেখা আপনাদের কাজ না; জনগণ যারা আপনাদের এনেছে, তাঁদের স্বার্থেই আপনাদের কাজ করার কথা।’

‘সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে, “আমরা তো গুম করব না, তাহলে এত চিন্তা কেন?” যদি গুম না–ই করবেন, তাহলে দরজাটা খোলা রাখছেন কেন? যদি দরজা খোলা থাকে, কেউ না কেউ সে দরজা দিয়ে একসময় ঢুকবে।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সারা হোসেন, নূর খান লিটন, শহিদুল আলম, মীর আহমাদ বিন কাসেম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ আগস্ট (আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস), ১৭ বছর (গত সময়কাল), ১৪ আসন (সংসদ সদস্য)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖