📅 ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৩:২০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জেলাভিত্তিক সরকারি দায়িত্ব বণ্টনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট দায়ের জামায়াত নেতাদের

জেলাভিত্তিক সরকারি দায়িত্ব বণ্টনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট দায়ের জামায়াত নেতাদের

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জেলাভিত্তিক সরকারি কার্যাবলি তদারকির দায়িত্ব বণ্টন প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর ১১ জন সংসদ সদস্য হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছেন

বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর ১১ জন সংসদ সদস্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জেলাভিত্তিক সরকারি কার্যাবলি তদারকির দায়িত্ব বণ্টন প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রোববার হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছেন। রিট আবেদনকারীদের অন্যতম পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান (নাজিব মোমেন) জানান, ২৭ আগস্ট জারি করা প্রজ্ঞাপনটি আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করে রুল জারি ও স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর ১১ জন সংসদ সদস্য জেলাভিত্তিক সরকারি দায়িত্ব বণ্টন প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের
  • 📌 ২৭ আগস্ট মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জেলাভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টন প্রজ্ঞাপন জারি করে
  • 📌 দেশের ৬৪ জেলায় সরকারি কার্যক্রম তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ৩০ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপকে
  • 📌 রিটে প্রজ্ঞাপনটি আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা ও স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছে
  • 📌 রিট আবেদনকারীদের মধ্যে রয়েছেন মীর আহমাদ বিন কাসেম, মো. গোলাম রব্বানী, মো. নূরুল ইসলাম প্রমুখ

📰 বিস্তারিত

বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যরা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জেলাভিত্তিক সরকারি কার্যাবলি তদারকির দায়িত্ব বণ্টন প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছেন। রিট আবেদনকারীদের অন্যতম পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান জানান, ২৭ আগস্ট জারি করা প্রজ্ঞাপনটি অসাংবিধানিক ও আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত। তিনি বলেন, ২০০১ সালে একই ধরনের দায়িত্ব বণ্টন প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করা হয়েছিল, যা হাইকোর্ট অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছিলেন।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দেশের ৬৪ জেলায় সরকারি কার্যক্রম তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ৩০ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে। তাঁদের মধ্যে কেউ একটি জেলা, আবার কেউ দুই থেকে তিনটি জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা সংশ্লিষ্ট জেলার আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, মাদক দমন, সুশাসন ও উন্নয়ন কার্যক্রম দেখভাল করবেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

রিট আবেদনকারীদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা-১৪ আসনের মীর আহমাদ বিন কাসেম, রংপুর-৫ আসনের মো. গোলাম রব্বানী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের মো. নূরুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের মো. মাসুদ পারভেজ, যশোর-১ আসনের মুহাম্মাদ আজীজুর রহমান, বাগেরহাট-২ আসনের শেখ মনজুরুল হক, পটুয়াখালী-২ আসনের মো. শফিকুল ইসলাম, শেরপুর-১ আসনের মো. রাশেদুল ইসলাম, গাজীপুর-৪ আসনের সালাহ উদ্দিন ও চট্টগ্রাম-১৬ আসনের মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম।

"২৭ আগস্টের প্রজ্ঞাপনটি অসাংবিধানিক ও আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত। উচ্চ আদালতের রায় অনুযায়ী এ ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণযোগ্য নয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 প্রধান ব্যক্তি: মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান (নাজিব মোমেন)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ জন সংসদ সদস্য, ৬৪ জেলা, ৩০ জন দায়িত্বপ্রাপ্ত

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖