📌 ভারতের ত্রিপুরায় ভারী বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট পাহাড়ি ঢলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার নিম্নাঞ্চলের ব্যাপক এলাকা প্লাবিত হয়েছে। প্রায় আড়াইশ হেক্টর ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে গত কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট পাহাড়ি ঢলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার নিম্নাঞ্চলের ব্যাপক এলাকা প্লাবিত হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল সকাল থেকে ক্রমাগত বাড়তে থাকা পানির স্তর সন্ধ্যার পর আরও দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ফলে উপজেলার আখাউড়া পৌরসভা, মোগড়া ইউনিয়ন ও দক্ষিণ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভারতের ত্রিপুরায় ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট পাহাড়ি ঢলে আখাউড়া উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
- 📌 প্রায় আড়াইশ হেক্টর ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় ক্ষতির আশঙ্কায় কৃষকরা
- 📌 হাওড়া নদীর পানির স্তর বৃদ্ধি ও বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক
- 📌 আবদুল্লাহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন জাজিরপুল খাল দিয়ে পাহাড়ি ঢলের পানি প্রবেশ করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি
📰 বিস্তারিত
আখাউড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ি ঢলের পানির প্রবেশের ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় কৃষক আব্দুর রশিদ জানান, তিনি অধিক মূল্যে ধান লাগিয়েছিলেন, কিন্তু পাহাড়ি ঢলের পানিতে সব তলিয়ে যাওয়ায় তার পরিবারের জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে। তিনি সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণের দাবি জানান। অন্যদিকে বীরচন্দ্রপুর গ্রামের কৃষক মনু মিয়া জানান, তার ধানের জমিও পানির নিচে চলে গেছে এবং পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে বড় ধরনের ক্ষতি হবে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য রহিম মিয়া জানান, পানি বৃদ্ধির ফলে নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে হাওড়া নদীর বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশ নিয়ে স্থানীয়রা বেশি দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপের দাবি জানান।
আখাউড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা জানান, উপজেলার আখাউড়া পৌরসভা, মোগড়া ও দক্ষিণ ইউনিয়ন এলাকায় প্রায় আড়াইশ হেক্টর জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, পানি দ্রুত নেমে গেলে ফসলের ক্ষতির সম্ভাবনা কম থাকবে। অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপসী রাবেয়া জানান, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে।
‘অনেক কষ্ট করে এবং বেশি দামে জমিতে ধান লাগিয়েছিলাম। পাহাড়ি ঢলের পানিতে এখন সব তলিয়ে গেছে। পানি নেমে গেলে আবার কীভাবে নতুন করে ধান লাগাব, সেটাই বুঝতে পারছি না। সরকার যেন আমাদের ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করে।’ — আব্দুর রশিদ, স্থানীয় কৃষক
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুর রশিদ, মনু মিয়া, মো. মাসুদ রানা, তাপসী রাবেয়া, রহিম মিয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: আড়াইশ হেক্টর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!