📌 খুলনার পাইকগাছায় রান্না করার সময় গরুর মাংস সবুজ হয়ে যাওয়ার কারণ উদঘাটন করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। পরীক্ষায় মাংসে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা
খুলনার পাইকগাছায় রান্না করার সময় গরুর মাংস সবুজ হয়ে যাওয়ার কারণ উদঘাটন করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। সংস্থাটির খাদ্যবিশ্লেষণ শাখার ২৭ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফ্রিজে সংরক্ষিত মাংস হঠাৎ বেশি তাপের সংস্পর্শে আসলে মাংসের লাল রং তৈরির উপাদান পরিবর্তিত হয়ে সবুজ বর্ণ ধারণ করতে পারে। তবে পরীক্ষায় মাংসে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া বা পচনের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খুলনার পাইকগাছায় রান্না করা গরুর মাংস সবুজ হওয়ার কারণ উদঘাটন করেছে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ
- 📌 ফ্রিজে রাখা মাংস হঠাৎ বেশি তাপের সংস্পর্শে এলে মায়োগ্লোবিন নামক উপাদানের পরিবর্তন ঘটে
- 📌 মাংসে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া বা পচনের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি
- 📌 ঘটনার পর মাংস বিক্রেতার দোকান থেকে প্রায় ৬০০ গ্রাম কাঁচা মাংস সংগ্রহ করা হয়
📰 বিস্তারিত
খুলনার পাইকগাছায় গত ২২ জুলাই মডার্ন বেকারির ২৫ কর্মচারী পিকনিকের আয়োজন করেন। তাঁরা পাইকগাছা বাজার থেকে আগের দিন জবাই করা গরুর চার কেজি মাংস কিনেছিলেন। রান্না শুরুর পর মাংসের স্বাভাবিক লালচে রং পরিবর্তিত হয়ে নীলচে-সবুজ বর্ণ ধারণ করতে শুরু করে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানানো হয়।
ঘটনার পর পাইকগাছা উপজেলা মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট উদয় কুমার মণ্ডল রান্না করা মাংসের নমুনা সংগ্রহ করেন। একই সঙ্গে মাংস বিক্রেতার দোকান থেকে প্রায় ৬০০ গ্রাম কাঁচা মাংস সংগ্রহ করে ২৪ জুলাই খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরীক্ষার জন্য নমুনা দুটি শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়।
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের খুলনা জেলা কার্যালয়ের নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মোকলেছুর রহমান বলেন, ফ্রিজে সংরক্ষিত মাংস হঠাৎ বেশি তাপের সংস্পর্শে আসলে মাংসের লাল রং তৈরির উপাদান পরিবর্তিত হয়ে সবুজ বর্ণ ধারণ করতে পারে। তিনি আরও জানান, পরীক্ষায় মাংসে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া বা পচনের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
"ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা মাংস হঠাৎ করে অনেক বেশি তাপের সংস্পর্শে এলে ওই উপাদানের পরিবর্তন হতে পারে। তখন মাংসের লাল রং সবুজ হয়ে যেতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পাইকগাছা, খুলনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোকলেছুর রহমান (নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ (কর্মচারী), ৬০০ (গ্রাম), ২৭ (আগস্ট), ২২ (জুলাই)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!