📌 গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় আসা সরকার জনমনে স্বস্তি আনতে পারেনি। শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা ও ভারত সফর নিয়ে জল্পনা-কল্পনার মধ্য দিয়ে রাজনীতিতে অস্বস্তি বিরাজ করছে। বিরোধী দল ও প্রশাসনিক মহলে দেখা দিয়েছে কৌতূহল
গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় আসা সরকারের প্রতি জনমনে স্বস্তি পুরোপুরি ফিরে আসেনি। বরং ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা এবং এর পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ রাজনৈতিক অঙ্গনে অস্বস্তি তৈরি করেছে। সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে অস্বস্তি বিরাজ করছে
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে
- 📌 বিরোধী দল ও প্রশাসনিক মহলে দেখা দিয়েছে কৌতূহল
- 📌 সরকার বিরোধীরা গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটকে কেন্দ্র করে সরকারকে চাপে ফেলার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ
- 📌 বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবির রিজভী আহমেদ সরকারের অবস্থান তুলে ধরেছেন
- 📌 শেখ হাসিনা জুলাই ও আগস্টে দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন
- 📌 বিরোধী দলগুলো সরকারের বিরুদ্ধে সক্রিয় রয়েছে
- 📌 দেশের বিভিন্ন স্থানে বোমা উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে
📰 বিস্তারিত
গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় আসা সরকার জনমনে স্বস্তি আনতে পারেনি। বরং ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা এবং এর পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ রাজনৈতিক অঙ্গনে অস্বস্তি তৈরি করেছে। সরকার বিরোধীরা গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটকে কেন্দ্র করে সরকারকে বহুমুখী চাপে ফেলার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, দেশের ভেতর ও বাইরের প্রভাবশালী মহল সরকারের বিরুদ্ধে জন-অসন্তোষ উসকে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবির রিজভী আহমেদ সরকারের অবস্থান তুলে ধরে বলেন, সরকার শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে ফেরত আনতে চায়। তিনি তো বাংলাদেশের একজন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। সরকার সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, জুলাই-আগস্টে ঘটে যাওয়া নারকীয় হত্যাকাণ্ডের জন্য হাসিনাকে বিচারের মুখোমুখি হতেই হবে। ইতোমধ্যে কয়েকটি মামলার বিচারকাজ সম্পন্ন এবং তার সাজা ঘোষণা করা হয়েছে।
শেখ হাসিনা ১০ জুলাই এক সাক্ষাৎকারে ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের ঘোষণা দিয়েছেন। এরপর ৫ আগস্টও তিনি একই ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে নির্বাসনে থাকা দলীয় নেতাদেরও তার সঙ্গে দেশে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে সংসদের বিরোধী দল ক্রমাগত রাজপথ সরগরম করে রাখছে। জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটও সরকারের বিরুদ্ধে সক্রিয় রয়েছে।
এছাড়া শেখ হাসিনার ঘোষণার পর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ঝটিকা মিছিল ও স্লোগান দিয়েছেন। দেশের বেশ কয়েকটি জায়গা থেকে বোমা বা বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ হাসিনা, তারেক রহমান, রুহুল কবির রিজভী আহমেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ জুলাই, ৫ আগস্ট, ১১ দলীয় জোট, ধানমন্ডি ৩২ নম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!