📌 পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ায় মাদক কারবারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে তিন অস্ত্রধারী শনাক্ত করেছে পুলিশ। বিএনপির স্থানীয় নেতা গুরুতর আহত হন। ঘটনায় তিনজন গুলিবিদ্ধ ও এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে
পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়া এলাকায় মাদক কারবারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধের জেরে গোলাগুলি ও ভাঙচুরের ঘটনায় তিন অস্ত্রধারীকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে তাঁদের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাঁদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালাচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ায় মাদক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে তিন অস্ত্রধারী শনাক্ত
- 📌 স্বামীবাগ মুন্সিরটেক জামে মসজিদের পাশের গলিতে গোলাগুলি ও ভাঙচুরের ঘটনা
- 📌 তিন তরুণকে মাদক বিক্রির অভিযোগে আটকের পর বিএনপি নেতার কার্যালয়ে হামলা
- 📌 ঘটনায় আলমগীর, আশা আক্তার, সিয়াম গুলিবিদ্ধ এবং বিএনপি নেতা ওমর নবী গুরুতর আহত
- 📌 গেন্ডারিয়া থানার ওসি মনিরুজ্জামান খান জানান, তিন আসামিকে ধরিয়ে দেওয়ার পরই হামলা চালানো হয়
📰 বিস্তারিত
রোববার রাত পৌনে ৮টার দিকে স্বামীবাগ মুন্সিরটেক জামে মসজিদের পাশের গলিতে মাদক কারবারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধের জেরে গোলাগুলি ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় চা-দোকানি আলমগীর, পথচারী আশা আক্তার ও খাবারের দোকানের কর্মী সিয়াম গুলিবিদ্ধ হন। এছাড়া ঢাকা মহানগর বিএনপির (দক্ষিণ) সদস্য ওমর নবী বাবুকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।
গতকাল বিকেলে গেন্ডারিয়ার রেললাইনসংলগ্ন করাতিটোলা এলাকা থেকে রাকিব, বিল্লাল ও রিফাত নামের তিন তরুণকে স্থানীয় কয়েকজন মাদক বিক্রির অভিযোগে আটক করেন। পরে তাঁদের ৪০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির এক নেতার কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তাঁদের থানায় নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। তিন তরুণকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করেই পরে হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গেন্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান খান বলেন, তিন আসামিকে ধরিয়ে দেওয়ার পরই বিএনপির ওই অফিসে হামলা চালানো হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিন তরুণকে থানায় নেওয়ার সময় ২০ থেকে ২৫ জনের একটি সশস্ত্র দল এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। হামলাকারীরা বিএনপির ওই নেতার কার্যালয় ও আশপাশের আরও পাঁচটি দোকানে ভাঙচুর চালায়। কয়েক দফা বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় মুদিদোকানি ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘কাস্টমারকে সদাই দিচ্ছিলাম। হঠাৎ গুলির আওয়াজ শুনে দ্রুত শাটার লাগিয়ে বের হয়ে যাই।’ তাঁর ভাষ্য, হামলাকারীদের বেশির ভাগের হাতে অস্ত্র ছিল।
"তিন তরুণকে মাদক বিক্রির অভিযোগে আটকের পর বিএনপি নেতার কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তাঁদের থানায় নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলে হামলা চালানো হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পুরান ঢাকা, গেন্ডারিয়া, স্বামীবাগ মুন্সিরটেক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মনিরুজ্জামান খান (গেন্ডারিয়া থানার ওসি), ওমর নবী (বিএনপি নেতা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ জন অস্ত্রধারী, ২০-২৫ জন হামলাকারী, ২০টি কার্তুজের খোসা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!