📌 গাইবান্ধায় প্রিপেইড মিটার চালু হওয়ার পর গ্রাহকদের অতিরিক্ত ব্যয় ও হয়রানির অভিযোগে সিপিবি ও আইনজীবীদের নেতৃত্বে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা প্রিপেইড মিটার বাতিল ও নিরবচ্ছিন্ন সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানান
গাইবান্ধা শহরে প্রিপেইড মিটার চালু হওয়ার পর গ্রাহকদের অতিরিক্ত ব্যয় ও হয়রানির অভিযোগে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ডিবি রোডের গানাসাস মার্কেটের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ডিজিটাল প্রিপেইড মিটার প্রতিরোধ কমিটি ও বিদ্যুৎ গ্রাহক অধিকার রক্ষা জাতীয় কমিটির গাইবান্ধা জেলা শাখা এই সমাবেশের আয়োজন করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৯ সেপ্টেম্বর গাইবান্ধায় প্রিপেইড মিটার প্রতিবাদে গ্রাহক অধিকারকর্মীদের নেতৃত্বে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ১২ জন বক্তা অংশ নেন, তাদের মধ্যে সিপিবি সদস্য মিহির ঘোষ, গাইবান্ধা পরিবেশ আন্দোলনের আহ্বায়ক ওয়াজিউর রহমান রাফেল, সাবেক জেলা বার অ্যাসোসিয়েশন সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বাবু এবং জেলা সিপিবি সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুরাদজামান রব্বানী অন্যতম।
- 📌 বক্তারা দাবি করেন, প্রিপেইড মিটার ব্যবহারের ফলে গ্রাহকদের মিটার রিচার্জ, জরুরি ব্যালেন্স চার্জ ও মিথ্যা মামলা সহ নানা অতিরিক্ত ব্যয়ে পড়তে হচ্ছে।
- 📌 সমাবেশে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মিহির ঘোষ বলেন, প্রিপেইড মিটার গ্রাহকদের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি করছে।
- 📌 প্রতিবাদকারীরা প্রিপেইড মিটার বাতিল, সাশ্রয়ী মূল্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, বিদ্যুৎখাত বেসরকারিকরণের তৎপরতা বন্ধ এবং হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।
📰 বিস্তারিত
গাইবান্ধা জেলা শাখার আহ্বায়ক গোলাম রব্বানী মুসা সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তারা বলেন, প্রিপেইড মিটার চালু হওয়ার কথা ছিল গ্রাহকদের সুবিধার জন্য, কিন্তু বাস্তবে এটি গ্রাহকদের অতিরিক্ত ব্যয় ও হয়রানির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মিটার রিচার্জের সময় অতিরিক্ত চার্জ, জরুরি ব্যালেন্সের জন্য অতিরিক্ত খরচ এবং মিথ্যা মামলা দায়েরের কারণে গ্রাহকরা ভোগান্তি ভোগ করছেন।
সিপিবি সদস্য মিহির ঘোষ বলেন, “বিদ্যুৎ মানুষের মৌলিক প্রয়োজন। প্রিপেইড মিটার চালু করার পেছনে সরকারের দাবি ছিল গ্রাহকদের সুবিধা, কিন্তু বাস্তবে এটি গ্রাহকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। সরকারকে প্রিপেইড মিটার বাতিল করে সাশ্রয়ী মূল্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।”
গাইবান্ধা পরিবেশ আন্দোলনের আহ্বায়ক ওয়াজিউর রহমান রাফেল এবং জেলা উদীচীর সাধারণ সম্পাদক শিরিন আকতার সমাবেশে বলেন, “গ্রাহকদের হয়রানি বন্ধ করতে হবে। বিদ্যুৎ সংকটের জনবান্ধব সমাধান খুঁজতে হবে। বিদ্যুৎখাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি জানাচ্ছি।”
সমাবেশে অংশ নেওয়া অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে ছিলেন সাবেক জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বাবু, জেলা সিপিবির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুরাদজামান রব্বানী, কমিউনিস্ট নেতা রেবতী মোহন বর্মন, গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক রজতকান্তি বর্মন, মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী প্রামাণিক, আইনজীবী অ্যাডভোকেট কুশলাশীষ চক্রবর্তী এবং রবিদাস ফোরামের খিলন রবিদাস।
"প্রিপেইড মিটার গ্রাহকদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি করছে। সরকারকে দ্রুত এই ব্যবস্থা বাতিল করে সাশ্রয়ী মূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।"
— সিপিবি সদস্য মিহির ঘোষ
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাইবান্ধা শহর, ডিবি রোড, গানাসাস মার্কেট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গোলাম রব্বানী মুসা, মিহির ঘোষ, ওয়াজিউর রহমান রাফেল, অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বাবু, অ্যাডভোকেট মুরাদজামান রব্বানী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ জন বক্তা, ১৯ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!