📌 দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে উন্মুক্ত কয়লাখনি প্রকল্পের বিরুদ্ধে গণসংহতি আন্দোলনের বিক্ষোভ সমাবেশে নেতৃবৃন্দ সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেন। সমাবেশে স্থানীয় জনগণের মতামত উপেক্ষা করে প্রকল্প বাস্তবায়নের বিরুদ্ধে দাবি তোলা হয়
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লাখনি করার সরকারি প্রস্তাবের বিরুদ্ধে গণসংহতি আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ বুধবার রাত সাড়ে আটটায় প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করেন। ফুলবাড়ী পৌর শহরের নিমতলা মোড়ে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে স্থানীয় জনগণের স্বার্থ রক্ষায় সরকারের প্রতি দাবি জানানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফুলবাড়ীতে উন্মুক্ত কয়লাখনি প্রকল্পের বিরুদ্ধে গণসংহতি আন্দোলনের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত
- 📌 সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলন ফুলবাড়ী উপজেলা শাখার সদস্যসচিব আব্দুল মোত্তালিব পাপ্পু
- 📌 প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা নাজার আহম্মেদ
- 📌 সমাবেশে স্থানীয় জনগণের মতামত উপেক্ষা করে প্রকল্প বাস্তবায়নের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ
- 📌 সরকারের প্রতি উন্মুক্ত কয়লাখনি প্রকল্প বাতিলের দাবি জানানো
📰 বিস্তারিত
ফুলবাড়ী পৌর শহরের নিমতলা মোড়ে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে গণসংহতি আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেন। সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন আব্দুল মোত্তালিব পাপ্পু, যিনি গণসংহতি আন্দোলন ফুলবাড়ী উপজেলা শাখার সদস্যসচিব। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা নাজার আহম্মেদ। সমাবেশে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি ফাতেমা রহমান বীথি, গণসংহতি আন্দোলন ফুলবাড়ী শাখার আহ্বায়ক আবুল খায়ের, জাতীয় পরিষদ সদস্য প্রত্যয়ী মিজান, কৃষকনেতা মোতাহার আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা জানান, ফুলবাড়ীর মাটিতে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলনের কোনো উদ্যোগ জনগণ মেনে নেবে না। তাঁরা বলেন, উন্মুক্ত খনি শুধু কয়লা উত্তোলনের বিষয় নয়; এর সঙ্গে মানুষের বসতভিটা, কৃষিজমি, পরিবেশ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তা জড়িত। সমাবেশে ২০০৬ সালের ফুলবাড়ী গণ-আন্দোলনে শহীদ আমিন, সালেকিন ও তরিকুলের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত ছয় দফা চুক্তি বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়।
জনগণের মতামত উপেক্ষা করে ফুলবাড়ীতে উন্মুক্ত খনি করার যেকোনো উদ্যোগের বিরুদ্ধে গণসংহতি আন্দোলন রাজপথে থাকবে বলে হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা। সরকারের প্রতি ফুলবাড়ীতে উন্মুক্ত কয়লাখনি করার বক্তব্য প্রত্যাহার এবং স্থানীয় জনগণের মতামত ও স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
"উন্মুক্ত কয়লাখনি শুধু কয়লা উত্তোলনের বিষয় নয়; এর সঙ্গে মানুষের বসতভিটা, কৃষিজমি, পরিবেশ, জীবিকা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তা জড়িত। ২০০৬ সালের ফুলবাড়ী গণ-আন্দোলনে শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত ছয় দফা চুক্তি বাস্তবায়ন না করে নতুন করে উন্মুক্ত কয়লা খনির আলোচনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফুলবাড়ী, দিনাজপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল মোত্তালিব পাপ্পু, নাজার আহম্মেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ আগস্ট, রাত ৮:৩০, ১৫ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!