📌 ফেনীর সোনাগাজীতে নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। মা শিরিন আক্তার আদালতের রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পরিবারের নিরাপত্তা চেয়েছেন
ফেনীর সোনাগাজীতে নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় উচ্চ আদালতের রায় ঘোষণার পর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহতের মা শিরিন আক্তার। তিনি বলেন, ‘আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। সিরাজ উদদৌলার জন্য আমার মেয়েকে হারিয়েছি। আজ আমি এ রায়ে সন্তুষ্ট। আমার মেয়ের আত্মা শান্তি পেয়েছে।’
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আলোচিত নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন হাইকোর্ট
- 📌 মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন সিরাজ উদদৌলা ও শাহাদাত হোসেন শামীম
- 📌 বিচারিক আদালতের ১৬ আসামির মধ্যে ৪ জনের সাজা যাবজ্জীবন ও ১০ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছিল
- 📌 মা শিরিন আক্তার প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের কাছে পরিবারের নিরাপত্তা চেয়েছেন
📰 বিস্তারিত
ফেনীর সোনাগাজীতে মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেছেন উচ্চ আদালত। বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা ও শাহাদাত হোসেন শামীম।
রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন নুসরাতের মা শিরিন আক্তার। তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং বলেন, ‘আমার একমাত্র মেয়ে রাফিকে ছাড়া সাতটা বছর কেমন করে বেঁচে আছি, সেটা কেউ বুঝতে পারবে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের কোনো নিরাপত্তা নেই। আমার ছেলেদের নিয়মিত হুমকি দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের কাছে আমাদের নিরাপত্তা চাইছি।’
মামলার বাদী নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান বলেন, ‘পরিবারের সবাই শুরু থেকেই ন্যায়বিচার চেয়েছিলাম। নিম্ন আদালতের রায়ের পর আসামিদের স্বজনেরা আমাদের নানাভাবে হুমকি দিয়েছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হুমকি এখনো অব্যাহত রয়েছে।’
‘আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। সিরাজ উদদৌলার জন্য আমার মেয়েকে হারিয়েছি। আজ আমি এ রায়ে সন্তুষ্ট। আমার মেয়ের আত্মার শান্তি পেয়েছে।’ — শিরিন আক্তার, নুসরাতের মা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফেনীর সোনাগাজী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিরিন আক্তার (নুসরাতের মা), সিরাজ উদদৌলা, শাহাদাত হোসেন শামীম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ (আসামি), ৪ (জনের সাজা যাবজ্জীবন), ১০ (জনকে খালাস)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!