📅 ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

অভয়নগরে অস্তিত্বহীন বিদ্যালয়ের নামে দুই লাখ টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন

অভয়নগরে অস্তিত্বহীন বিদ্যালয়ের নামে দুই লাখ টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যশোরের অভয়নগরে অস্তিত্বহীন বিদ্যালয়ের নামে দুই লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের অভিযোগ উঠেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বরাদ্দ হলেও টাকা তোলা হয়েছে বিএনপি সরকারের অধীনে। স্থানীয় ইউএনও ও এলজিইডি কর্মকর্তাদের বক্তব্যে মিলছে না তথ্য

যশোরের অভয়নগর উপজেলায় অস্তিত্বহীন একটি বিদ্যালয়ের নামে সরকারি দুই লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের অভিযোগ উঠেছে। অভয়নগর উপজেলা প্রশাসনের দেওয়া ওই বরাদ্দের পুরো টাকা তুলে নেওয়া হয় বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর। ঘটনাটি ঘটেছে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 অভয়নগরের সিদ্দিপাশা ইউনিয়নে অস্তিত্বহীন ‘সিদ্দিপাশা ভৈরব কিন্ডারগার্টেন স্কুলের’ নামে দুই লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়
  • 📌 অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বরাদ্দ হলেও টাকা তোলা হয় বিএনপি সরকারের অধীনে ২০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে
  • 📌 প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয় প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি (পিআইসি) পদ্ধতিতে, দরপত্র ছাড়াই
  • 📌 অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ সালাউদ্দীন জানান, স্কুলটি খুঁজে পাওয়া যায়নি, তবে ভৈরব আদর্শ শিশু বিদ্যালয় নামে একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করিয়ে নেওয়া হয়েছে
  • 📌 ভৈরব আদর্শ শিশু বিদ্যালয়ের পরিচালক দাউদ হোসেন জানান, সরকারি কোনো অনুদান পাওয়া যায়নি, কিন্তু প্রকল্পের নামে ছয়টি জানালার গ্রিল দেওয়া হয়েছে

📰 বিস্তারিত

২০২৫-২৬ অর্থবছরে অভয়নগর উপজেলায় সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় মোট ২২৩টি উন্নয়নকাজের জন্য তিন কোটি পাঁচ লাখ আট হাজার ৪১৮ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে ১০৬টি প্রকল্প দরপত্রের মাধ্যমে ঠিকাদারের মাধ্যমে এবং বাকি ১১৭টি প্রকল্প পিআইসি পদ্ধতিতে বাস্তবায়ন করা হয়। অভয়নগর উপজেলা এলজিইডির তৎকালীন প্রকৌশলী মো. নাজমুল হুদা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের সময় দায়িত্বে ছিলেন বলে জানান উপসহকারী প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম।

প্রথম আলোর অনুসন্ধানে দেখা যায়, অভয়নগরের সিদ্দিপাশা ইউনিয়নের সিদ্দিপাশা গ্রামে ‘সিদ্দিপাশা ভৈরব কিন্ডারগার্টেন স্কুল’ নামে কোনো প্রতিষ্ঠান খুঁজে পাওয়া যায়নি। গত জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে স্থানীয় এলাকায় সরেজমিন অনুসন্ধান চালিয়ে প্রতিবেদকরা এমন তথ্য পান। পরে অভয়নগর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়েও যোগাযোগ করা হয়। তারা জানান, উপজেলায় এমন কোনো বিদ্যালয়ের অস্তিত্ব নেই।

অথচ অভয়নগর উপজেলা প্রশাসনের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় ওই বিদ্যালয় সংস্কারের জন্য দুই লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দেওয়া ওই বরাদ্দের পুরো টাকা তুলে নেওয়া হয় বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয় পিআইসি পদ্ধতিতে, যেখানে দরপত্র ছাড়াই স্থানীয় প্রতিনিধিদের মাধ্যমে কাজ বাস্তবায়ন করা হয়। সাধারণত পিআইসি পদ্ধতিতে পাঁচ লাখ টাকার বেশি ব্যয় করা হয় না।

প্রকল্পটির সভাপতি ছিলেন সিদ্দিপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ আবুল কাশেম। তিনি দাবি করেন, বিদ্যালয়টি বিদ্যমান এবং তিনি নিজেই কাজ করেছেন। তবে অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ সালাউদ্দীন জানান, স্কুলটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। তিনি দাবি করেন, ভৈরব আদর্শ শিশু বিদ্যালয় নামে একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ভৈরব আদর্শ শিশু বিদ্যালয়ের পরিচালক দাউদ হোসেন জানান, তাদের প্রতিষ্ঠানটি নিজস্ব অর্থায়ন ও শিক্ষার্থীদের বেতনে চলে। সরকারি কোনো অনুদান তারা পাননি। তবে সম্প্রতি ইউএনও ও ইউনিয়ন চেয়ারম্যান তাদের প্রতিষ্ঠানে এসে জানান, তাদের নামে এক লাখ টাকা বরাদ্দ রয়েছে। তারা ছয়টি জানালার গ্রিল দেওয়ার কথা বলেন। কিন্তু প্রতিষ্ঠানের প্যাডে প্রত্যয়নপত্র দেওয়ার সময় দাউদ হোসেন জানান, তিনি দুটি দরজা, দুটি জানালা ও ২০ সেট বেঞ্চ পেয়েছেন।

"সিদ্দিপাশা ভৈরব কিন্ডারগার্টেন স্কুল আছে কি না, সেটা ইঞ্জিনিয়ারের দেখার বিষয়। এই নামে স্কুল আছে এবং আমি স্কুলের কাজ করেছি।" — শেখ আবুল কাশেম, চেয়ারম্যান, সিদ্দিপাশা ইউনিয়ন পরিষদ
"কাজ হয়নি খবর পেয়ে আমি ১১ জুলাই সিদ্দিপাশা গ্রামে গিয়ে সিদ্দিপাশা ভৈরব কিন্ডারগার্টেন স্কুল নামে কোনো প্রতিষ্ঠান পাইনি। তবে সিদ্দিপাশা ভৈরব আদর্শ শিশু বিদ্যালয় নামে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। বরাদ্দের টাকায় সেখানে কাজ করিয়ে নেওয়া হয়েছে।" — শেখ সালাউদ্দীন, নির্বাহী কর্মকর্তা, অভয়নগর উপজেলা

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সিদ্দিপাশা ইউনিয়ন, অভয়নগর, যশোর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ সালাউদ্দীন (ইউএনও), শেখ আবুল কাশেম (ইউপি চেয়ারম্যান), দাউদ হোসেন (বিদ্যালয় পরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুই লাখ টাকা (বরাদ্দ), তিন কোটি পাঁচ লাখ আট হাজার ৪১৮ টাকা (মোট বরাদ্দ), ২২৩টি (উন্নয়ন প্রকল্প)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖