📌 লালপুর উপজেলায় ফুটবল খেলায় প্রধান অতিথি না করায় '১৪৪ ধারা জারি' হয়েছে বলে গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদকে ভিত্তিহীন দাবি করেছেন বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা মারুফ আলী। তিনি দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হয়েছে
লালপুর উপজেলায় ফুটবল খেলায় প্রধান অতিথি না করায় '১৪৪ ধারা জারি' হয়েছে বলে গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করেছেন বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা মারুফ আলী। তিনি জানান, তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অপপ্রচার চালানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা মারুফ আলী দাবি করেন, গণমাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে প্রচারিত সংবাদ সম্পূর্ণ মিথ্যা
- 📌 তিনি অভিযোগ করেন, তাঁকে প্রধান অতিথি বা বিশেষ অতিথি হওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল, যা তিনি অস্বীকার করেন
- 📌 মারুফ আলী অভিযোগ করেন, তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বিরোধীরা বিষয়টিকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছেন
- 📌 তিনি দাবি করেন, তাঁর বহিষ্কারের পেছনে প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শরমীন পুতুলের নির্দেশনা রয়েছে
- 📌 স্থানীয় নেতা–কর্মীরা তাঁকে সংবাদ সম্মেলন থেকে বাধা দিলে তিনি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন
📰 বিস্তারিত
লালপুর উপজেলার কেশবপুর গ্রামে গত ২১ আগস্ট ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে মারুফ আলীর বিরুদ্ধে '১৪৪ ধারা জারি' হয়েছে বলে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। তবে বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা মারুফ আলী সেই সংবাদকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করেন। তিনি জানান, তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অপপ্রচার চালানো হয়েছে।
মারুফ আলী তাঁর লিখিত বক্তব্যে দাবি করেন, গত ১৯ আগস্ট তিনি উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে গ্রামের গোরস্থানের জন্য সরকারি বরাদ্দের ৩৫টি গাছ ও পাঁচ বস্তা সারের হিসাব জানতে চান। তিনি অভিযোগ করেন, গ্রামপ্রধান মোয়াজ্জেম হোসেন গোকুল তাঁকে 'তুমি কে, এসব হিসাব দেব' বলে জবাব দেন এবং তাঁকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। মারুফ আলীর দাবি, পাঁচ বস্তা সারের মধ্যে এক বস্তা গোরস্থানে ব্যবহারের পর বাকি চার বস্তা আত্মসাৎ করা হয়েছে।
তিনি আরও দাবি করেন, ওই বিরোধের জের ধরে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয়। তিনি অস্বীকার করেন যে তাঁকে প্রধান বা বিশেষ অতিথি হতে চাওয়া হয়েছিল অথবা গোপালপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র নজরুল ইসলাম মোলামকে প্রধান অতিথি করার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল। মারুফ আলী বলেন, 'যেখানে আমন্ত্রণপত্রে কোনো প্রধান অতিথি বা বিশেষ অতিথির নামই নেই, সেখানে আমি কীভাবে প্রধান অতিথি বা বিশেষ অতিথি হওয়ার দাবি করব?'
সংবাদ সম্মেলনে মারুফ আলী আরও অভিযোগ করেন, গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বিরোধী লালপুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান হারুন রশিদ পাপ্পু বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেন। তিনি জেলা ছাত্রদলের ওপর বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন।
তাঁর বহিষ্কারের প্রসঙ্গে মারুফ আলী বলেন, গত ১৪ আগস্ট বাউয়েটের একটি অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শরমীন পুতুলের ব্যক্তিগত সহকারী আব্দুস সালাম তাঁকে রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়া হবে না বলে হুমকি দিয়েছিলেন। তিনি দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে প্রতিমন্ত্রীর মানহানিকর অভিযোগ তোলা হয়েছে। মারুফ আলী বলেন, 'বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং এতে প্রতিমন্ত্রীরও মানহানি হয়েছে।'
সংবাদ সম্মেলনটি উপজেলার গোপালপুর রেলগেট এলাকায় অবস্থিত গোপালপুর পৌরসভার বিএনপি-যুবদল নেতাদের বসার সাইনবোর্ডবিহীন কার্যালয়ে আয়োজন করা হয়। তবে স্থানীয় নেতা–কর্মীরা তাঁকে বাধা দিলে তিনি সেখান থেকে চলে যান।
"যেখানে আমন্ত্রণপত্রে কোনো প্রধান অতিথি বা বিশেষ অতিথির নামই নেই, সেখানে আমি কীভাবে প্রধান অতিথি বা বিশেষ অতিথি হওয়ার দাবি করব? মূলত খেলাকে কেন্দ্র করে আমি ভিলেজ পলিটিকসের শিকার হয়েছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লালপুর উপজেলা, গোপালপুর রেলগেট এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মারুফ আলী (বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪৪ ধারা, ২১ আগস্ট, ১৯ আগস্ট, ৩৫টি গাছ, ৫ বস্তা সার, ১৪ আগস্ট, ১৩টি সরকারি চাকরি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!