📌 ভোলার চরফ্যাশনে পাচারের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে আটক বিপন্ন প্রজাতির ২৫০টি কচ্ছপ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে চারটি ঝুড়িতে আবদ্ধ অবস্থায় কচ্ছপগুলো পাওয়া যায়। পরবর্তীতে নিরাপদ স্থানে অবমুক্ত করা হলেও পাচারকারীরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
ভোলার চরফ্যাশনে পাচারের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে আটক বিপন্ন প্রজাতির ২৫০টি কচ্ছপ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। সোমবার রাতে চরফ্যাশন বাজারে পরিচালিত অভিযানে চারটি বাঁশের ঝুড়িতে আবদ্ধ অবস্থায় কচ্ছপগুলো পাওয়া যায়। উদ্ধার হওয়া কচ্ছপগুলোর মধ্যে প্রধানত ‘সুন্ধি কাছিম’ এবং স্থানীয়ভাবে পরিচিত ‘কড়ি কাইট্টা’ প্রজাতির কচ্ছপ রয়েছে বলে জানান উপকূলীয় বন বিভাগ ভোলার সদর উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তা সুফল রায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিপন্ন প্রজাতির ২৫০টি কচ্ছপ উদ্ধার করা হয়েছে ভোলার চরফ্যাশনে
- 📌 অভিযান পরিচালিত হয় সোমবার রাত ১০টার দিকে চরফ্যাশন বাজারে
- 📌 চারটি বাঁশের ঝুড়িতে আবদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায় কচ্ছপগুলো
- 📌 উদ্ধার হওয়া প্রজাতির মধ্যে রয়েছে ‘সুন্ধি কাছিম’ ও ‘কড়ি কাইট্টা’
- 📌 পাচারকারীরা অভিযানের আগেই পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি
📰 বিস্তারিত
ভোলার চরফ্যাশনে বিপন্ন প্রজাতির ২৫০টি কচ্ছপ উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে চরফ্যাশন বাজারের চারটি ঝুড়িতে আবদ্ধ অবস্থায় কচ্ছপগুলো পাওয়া যায়। উপকূলীয় বন বিভাগ ভোলার সদর উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তা সুফল রায় জানান, অভিযানটি পরিচালিত হয় সোমবার রাত ১০টার দিকে। উদ্ধার হওয়া কচ্ছপগুলোর মধ্যে প্রধানত ‘সুন্ধি কাছিম’ এবং স্থানীয়ভাবে পরিচিত ‘কড়ি কাইট্টা’ প্রজাতির কচ্ছপ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন স্থান থেকে দীর্ঘদিন ধরে বিলুপ্তপ্রায় কচ্ছপ শিকার ও পাচারের অভিযোগ আসছিল। এই তথ্যের ভিত্তিতে বন বিভাগ আগে থেকেই সতর্ক অবস্থানে ছিল এবং এর ধারাবাহিকতায় অভিযানটি পরিচালনা করে। তবে অভিযান শুরুর আগেই পাচারকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
বাংলাদেশে ২০২৬ সালের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী কচ্ছপ শিকার, কেনাবেচা এবং পাচার সম্পূর্ণ বেআইনি। তা সত্ত্বেও দেশি-বিদেশি চোরাকারবারিদের দৌরাত্ম্যে বিলুপ্তপ্রায় বিভিন্ন প্রজাতির কচ্ছপ অবৈধভাবে শিকার ও পাচার হচ্ছে।
"বিভিন্ন স্থান থেকে দীর্ঘদিন ধরে বিলুপ্তপ্রায় কচ্ছপ শিকার ও পাচারের অভিযোগ আসছিল। এই তথ্যের ভিত্তিতে বন বিভাগ আগে থেকেই সতর্ক অবস্থানে ছিল এবং এর ধারাবাহিকতায় অভিযানটি পরিচালনা করে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চরফ্যাশন, ভোলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুফল রায় (উপকূলীয় বন বিভাগ ভোলা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫০টি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!