📌 মাঝারি তাপমাত্রা সত্ত্বেও দেশজুড়ে বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ গড়ে আড়াই হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ গ্রামাঞ্চলে দিনে চার থেকে পাঁচবার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা ঘটছে। গ্যাস সংকট ও আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির উচ্চমূল্যের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে
মাঝারি তাপমাত্রার আবহাওয়ার মধ্যেও দেশজুড়ে বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ গড়ে আড়াই হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যাচ্ছে। বিদ্যুৎ বিভাগের পর্যালোচনা অনুযায়ী, চলতি মাসের শুরুতে গ্যাস সংকটের সময়ের মতোই লোডশেডিংয়ের পরিমাণ ঘণ্টায় সাড়ে তিন হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। সাধারণত গ্রাম ও মফস্বল শহরগুলোতে লোডশেডিংয়ের প্রভাব বেশি হলেও এবার রাজধানীবাসীকেও সমানভাবে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দেশজুড়ে বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ গড়ে আড়াই হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে
- 📌 রাজধানী ঢাকাসহ গ্রামাঞ্চলে দিনে চার থেকে পাঁচবার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা ঘটছে
- 📌 বিদ্যুতের চাহিদা ১৬ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট এবং সরবরাহ ১৩ হাজার ৫৩৪ মেগাওয়াট থাকায় প্রায় ২০ শতাংশ হারে লোডশেডিং হচ্ছে
- 📌 গ্যাস সংকট ও আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির উচ্চমূল্যের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
বিদ্যুৎ বিভাগের পর্যালোচনা অনুযায়ী, চলতি মাসের শুরুতে গ্যাস সংকটের সময়ের মতোই লোডশেডিংয়ের পরিমাণ ঘণ্টায় সাড়ে তিন হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। সাধারণত গ্রাম ও মফস্বল শহরগুলোতে লোডশেডিংয়ের প্রভাব বেশি হলেও এবার রাজধানীবাসীকেও সমানভাবে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। বিদ্যুতের অভাবে ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় পালা করে দিনে চার থেকে পাঁচবার লোডশেডিং দেওয়া হচ্ছে। একবার বিদ্যুৎ গেলে সাধারণত এক ঘণ্টার আগে আসে না।
বুধবার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর ছুটির দিনেও কোথাও কোথাও দুই ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন ছিল। গ্রামের পরিস্থিতি আগে থেকেই ছিল ভয়াবহ। মাঝে কয়েকটা দিন সামান্য স্বস্তি দিয়ে আবারও দিনে ১০-১২ বার করে বিদ্যুৎ যাওয়া শুরু হয়েছে। দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর একটা বড় অংশ গ্যাসচালিত হলেও গ্যাসের অভাবে অনেকগুলোই বসে আছে।
বিদ্যুতের ঘাটতির কারণে গতকাল বেলা ৩টায় সারা দেশে ৩ হাজার ৬৬৪ মেগাওয়াট লোডশেডিং করা হয়। এদিন দিনের বেলায় লোডশেডিং ছিল গড়ে ২ হাজার মেগাওয়াট। বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট এবং সরবরাহ ছিল ১৩ হাজার ৫৩৪ মেগাওয়াট। ফলে প্রায় ২০ শতাংশ হারে লোডশেডিং হচ্ছিল।
"বিদ্যুৎ বিভাগের পর্যালোচনা অনুযায়ী, চলতি মাসের শুরুতে গ্যাস সংকটের সময়ের মতোই লোডশেডিংয়ের পরিমাণ ঘণ্টায় সাড়ে তিন হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। সাধারণত গ্রাম ও মফস্বল শহরগুলোতে লোডশেডিংয়ের প্রভাব বেশি হলেও এবার রাজধানীবাসীকেও সমানভাবে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সারা দেশ, বিশেষত ঢাকা শহর ও গ্রামাঞ্চল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রকৌশলী মু. শোয়েব (পেট্রোবাংলা), জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: লোডশেডিং ৩ হাজার ৬৬৪ মেগাওয়াট, চাহিদা ১৬ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট, সরবরাহ ১৩ হাজার ৫৩৪ মেগাওয়াট, ২০ শতাংশ ঘাটতি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!