📅 ২৮ আগস্ট ২০২৬, ২:০৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

খসড়া মানবাধিকার কমিশন আইন নিয়ে উদ্বেগ: স্বাধীন তদন্তের দাবি মানবাধিকারকর্মীদের

খসড়া মানবাধিকার কমিশন আইন নিয়ে উদ্বেগ: স্বাধীন তদন্তের দাবি মানবাধিকারকর্মীদের

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 খসড়া জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মানবাধিকারকর্মী ও আইনজীবীরা। তাঁদের দাবি, আইনটি পাস হলে মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদের সুরক্ষা দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে। জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বক্তারা স্বাধীন তদন্তের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি জানান

খসড়া জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মানবাধিকারকর্মী, আইনজীবী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তাঁদের অভিমত, আইনটি কার্যকর হলে মানবাধিকার সুরক্ষার পরিবর্তে মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদের সুরক্ষা দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে। সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত ‘খসড়া জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬: পর্যালোচনা ও সুপারিশ’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 খসড়া মানবাধিকার কমিশন আইন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মানবাধিকারকর্মী ও আইনজীবীরা
  • 📌 আইনটি পাস হলে মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদের সুরক্ষা দেওয়ার ঝুঁকির কথা তুলে ধরেন বক্তারা
  • 📌 জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে স্বাধীনভাবে তদন্তের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানানো হয়
  • 📌 ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান আইনের যথাযথ আলোচনার দাবি জানান
  • 📌 সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সারা হোসেন আইনটির গঠনে বৈষম্যের অভিযোগ তুলেন

📰 বিস্তারিত

খসড়া জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মানবাধিকারকর্মী ও আইনজীবীরা। তাঁদের অভিমত, আইনটি কার্যকর হলে মানবাধিকার সুরক্ষার পরিবর্তে মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদের সুরক্ষা দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে। মতবিনিময় সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট)।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আইনটি সংসদে পাসের আগে অবশ্যই যথাযথ আলোচনা হওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য যেসব প্রতিষ্ঠান নিয়ে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ রয়েছে, প্রস্তাবিত আইনে অনেক ক্ষেত্রে সেই প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরই তদন্তের ভার থেকে যাচ্ছে।

সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সারা হোসেন বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে জীবন, ব্যক্তিস্বাধীনতা, নির্যাতন থেকে মুক্তি, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও বৈষম্য দূরীকরণসহ বিস্তৃত মানবাধিকার সুরক্ষায় কাজ করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রস্তাবিত আইনে রাষ্ট্রের কোনো কর্তৃপক্ষ মানবাধিকার লঙ্ঘন করলে কমিশনের ক্ষমতা সীমিত হয়ে যায়, যা গ্রহণযোগ্য নয়।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক সদস্য নূর খান বলেন, গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও হেফাজতে মৃত্যুর মতো ঘটনায় কমিশনের পূর্ণ স্বাধীনতা ও নিরঙ্কুশ ক্ষমতা থাকা প্রয়োজন। তিনি উদাহরণ হিসেবে খুলনার মোংলায় মিরাজ শেখের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা তুলে ধরে বলেন, এ ধরনের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে তদন্ত করতে হলে কমিশনে সৎ ও দক্ষ ব্যক্তিদের নিয়োগ দিতে হবে।

"মানবাধিকার লঙ্ঘন বা গুমের অভিযোগের তদন্ত যদি সেই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিদের প্রভাবাধীন থাকে, তাহলে আলামত নষ্ট ও তদন্ত বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আগে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে স্বাধীনভাবে তদন্তের সুযোগ দিতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইফতেখারুজ্জামান, সারা হোসেন, নূর খান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: খসড়া আইনটি ২০২৬ সালের

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖