📌 ডিএনএ পরীক্ষায় নেত্রকোনার ১১ বছরের শিশু ধর্ষণের ঘটনায় জন্ম নেওয়া শিশুর বাবা হিসেবে মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরকে শনাক্ত করা হয়েছে। আদালতে প্রতিবেদন উপস্থাপনের পর বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রসিকিউটর
নেত্রকোনার মদনে ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় জন্ম নেওয়া নবজাতকের বাবা হিসেবে মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরের বিরুদ্ধে ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে প্রমাণিত হয়েছে। সোমবার আদালতে প্রতিবেদন উপস্থাপনের পর বিষয়টি নিশ্চিত করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট নুরুল কবীর রুবেল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডিএনএ পরীক্ষায় ধর্ষণের শিকার শিশুর জন্ম দেওয়া নবজাতকের বাবা হিসেবে মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরকে শনাক্ত করা হয়েছে
- 📌 ঘটনার চার বছর আগে মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগর মদন এলাকায় একটি মহিলা কওমি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন
- 📌 শিশুটির মা সিলেটে গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন এবং শিশুটি তার নানার বাড়িতে থেকে মাদরাসায় পড়াশোনা করত
- 📌 গত ১৮ এপ্রিল শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করে তার মা তাকে একটি ক্লিনিকে নিয়ে পরীক্ষা করান, যেখানে চিকিৎসক জানান শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা
- 📌 ২৩ এপ্রিল শিশুটির মা বাদী হয়ে মাদরাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেন এবং ৬ মে র্যাব তাকে গ্রেপ্তার করে
📰 বিস্তারিত
ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, নেত্রকোনার মদনে ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় জন্ম নেওয়া নবজাতকের বাবা হিসেবে মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরকে শনাক্ত করা হয়েছে। সোমবার আদালতে ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন উপস্থাপনের পর বিষয়টি নিশ্চিত করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট নুরুল কবীর রুবেল। তিনি জানান, ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে ধর্ষণের ঘটনায় জন্ম নেওয়া নবজাতকের বাবা হিসেবে অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরের নাম উঠে এসেছে।
জানা গেছে, প্রায় চার বছর আগে আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগর মদন এলাকায় একটি মহিলা কওমি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। শিশুটির মা-বাবার বিচ্ছেদের পর শিশুটি তার নানার বাড়িতে থেকে ওই মাদরাসায় পড়াশোনা করত। শিশুটির মা জীবিকার প্রয়োজনে সিলেটে গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন। এক পর্যায়ে শিশুটির অসুস্থ হয়ে পড়ার পাশাপাশি তার শরীরে শারীরিক পরিবর্তন দেখা দেয়। বিষয়টি জানতে পেরে তার মা গত ১৮ এপ্রিল মদন পৌর শহরের একটি ক্লিনিকে মেয়েকে নিয়ে পরীক্ষা করান। সেখানে চিকিৎসক জানান, শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা।
এরপর ২৩ এপ্রিল শিশুটির মা বাদী হয়ে মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা করেন। ৬ মে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে র্যাব তাকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন আদালত তাকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠান। রিমান্ড শেষে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পর আদালত অভিযুক্তের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দেন। শিশুটির নিরাপত্তা ও ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে গত ১২ মে আদালতের নির্দেশে তাকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীন সিলেটের একটি সেফ হোমে পাঠানো হয়। সেখানে গত ২ জুলাই সে একটি কন্যাশিশুর জন্ম দেয়। পরে নবজাতকের ডিএনএ পরীক্ষার জন্য ৯ জুলাই পুলিশ আদালতে আবেদন করে। আদালতের নির্দেশে ২৮ জুলাই সিলেটের একটি সেফ হোমে নবজাতকের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সেই পরীক্ষার প্রতিবেদনেই নবজাতকের বাবা হিসেবে মামলার অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহর নাম নিশ্চিত হয়েছে।
"ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে ধর্ষণের ঘটনায় জন্ম নেওয়া নবজাতকের বাবা হিসেবে অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরকে শনাক্ত করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মদন, নেত্রকোনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগর (মাদরাসা শিক্ষক), অ্যাডভোকেট নুরুল কবীর রুবেল (প্রসিকিউটর)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ বছর (শিশুর বয়স), ৬০ দিন (বিচারের সময়সীমা), ৪ বছর (মাদরাসা প্রতিষ্ঠার সময়কাল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!