📅 ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:০৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

প্রতিবন্ধী জীবনেও স্বাবলম্বী হতে পারে: পরিবারের সমর্থন ও অধ্যবসায়ের গল্প

প্রতিবন্ধী জীবনেও স্বাবলম্বী হতে পারে: পরিবারের সমর্থন ও অধ্যবসায়ের গল্প

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় বাকপ্রতিবন্ধী সুমনা ম্রোং ও একপায়ী জামাল হোসেনের জীবনগাথা পরিবারের সমর্থন ও অধ্যবসায়ের প্রমাণ। তারা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে পড়াশোনা ও কর্মজীবনে সফলতা অর্জন করেছেন

ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় বাকপ্রতিবন্ধী সুমনা ম্রোং ও একপায়ী জামাল হোসেনের জীবনগাথা দেখিয়েছে যে, পরিবারের সমর্থন ও নিজের অধ্যবসায়ের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিও স্বাবলম্বী হতে পারে। তারা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে পড়াশোনা ও কর্মজীবনে সফলতা অর্জন করেছেন। গত ৩১ জুলাই ধোবাউড়া সদরের বণিকপাড়ায় সাক্ষাৎকারে সুমনা ম্রোং বলেছেন, ‘যেদিন আমি জন্ম নিলাম, তেদিন থেকে আমি স্বাভাবিকভাবে খেতে পারিনি। বুকের দুধও খেতে পারিনি। আমাকে বাঁচিয়ে রাখতে অনেক কষ্ট হয়েছিল।’

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বাকপ্রতিবন্ধী সুমনা ম্রোং পরিবারের সমর্থনে পড়াশোনা শেষ করে চাকরি করছেন এবং সংসার চালাচ্ছেন
  • 📌 একপায়ী জামাল হোসেন পরিবারের সাহায্যে কৃষিকাজ শুরু করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছেন
  • 📌 শারীরিক প্রতিবন্ধী রাজু শেখ পরিবারের অনুপ্রেরণায় ট্রাইসাইকেলে চড়েন এবং স্বাবলম্বী জীবন যাপন করছেন
  • 📌 প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা পরিবার ও সমাজের সহযোগিতা পেলে স্বাবলম্বী হতে পারে, সুমনা ও জামালের জীবনগাথা এ প্রমাণ
  • 📌 সুমনা বলেছেন, ‘প্রতিবন্ধী মানুষকে যদি পরিবার সমর্থন না করে, সে বাইরের পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে না’

📰 বিস্তারিত

ময়মনসিংহের ধোবাউড়ার বাসিন্দা সুমনা ম্রোং বাকপ্রতিবন্ধী হলেও পরিবারের সমর্থনে তিনি স্কুল-কলেজের পড়াশোনা শেষ করে চাকরি করছেন এবং সংসার চালাচ্ছেন। সুমনার কথায়, ‘প্রতিবন্ধী মানুষকে যদি পরিবার প্রথমে সমর্থন না করে, সে বাইরের পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে না। আমার পরিবার আমার সঙ্গে ছিল।’ প্রাথমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পড়ার সময় অন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অবহেলা ও কটুকথা শুনতে হয়েছে তাঁকে। কিন্তু পরিবারের সাহস জুগিয়ে তিনি প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে এগিয়ে যান।

একপায়ী জামাল হোসেন ঢাকার কারওয়ান বাজারে ডিমের ব্যবসা করতেন। ২০১২ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় এক পা হারানোর পর তিনি পরিবারের সহযোগিতায় কৃষিকাজ শুরু করেন। প্রথমে নিজে বিনিয়োগ করে, পরে বেসরকারি সংস্থা থেকে ঋণ নিয়ে শাকসবজির খামার গড়ে তোলেন। এখন তিনি নিজের খামারের পাশাপাশি অন্য কৃষকদের কাছ থেকে শাকসবজি কিনে বিক্রি করেন এবং বাড়ির উঠানে গবাদিপশু ও ছাগল পালন করেন। জামালের স্ত্রী ও সন্তানরা তাঁকে সর্বদা অনুপ্রাণিত করছেন।

শারীরিক প্রতিবন্ধী রাজু শেখ পরিবারের অনুপ্রেরণায় নিজের মতো করে কিছু করার উৎসাহ পেয়েছেন। একসময় বিয়ারিংয়ের গাড়িতে চড়তেন, পরে ট্রাইসাইকেলে চড়েন। তিনি বলেছেন, ‘পরিবারের সদস্যরা আমাকে অবহেলা করেননি। তারা আমাকে সাধারণ মানুষের মতো চিন্তা করতে দিয়েছেন।’

"প্রতিবন্ধী মানুষকে যদি তাঁর পরিবার প্রথমে সমর্থন না করে, সে বাইরের পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে না। সে ক্ষেত্রে আমার পরিবার আমার সঙ্গে ছিল।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ধোবাউড়া সদর, ময়মনসিংহ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুমনা ম্রোং, জামাল হোসেন, রাজু শেখ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১ জুলাই (সাক্ষাৎকারের তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖