📅 ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

১৯০১ সালের ৭ ডিসেম্বর ঢাকার রাস্তায় জ্বলল প্রথম বৈদ্যুতিক আলো: নবাব আহসানউল্লাহর অমূল্য অবদান

১৯০১ সালের ৭ ডিসেম্বর ঢাকার রাস্তায় জ্বলল প্রথম বৈদ্যুতিক আলো: নবাব আহসানউল্লাহর অমূল্য অবদান

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ১৯০১ সালের ৭ ডিসেম্বর ঢাকার আহসান মঞ্জিলে নবাব আহসানউল্লাহর উদ্যোগে প্রথম বৈদ্যুতিক বাতি জ্বলল। সাড়ে চার লাখ টাকা ব্যয়ে ঢাকার প্রধান সড়কগুলোতে আলোর এই বিপ্লব শুরু হয়, যা শহরের আধুনিকায়নে নতুন অধ্যায় খুলে দেয়

১৯০১ সালের ৭ ডিসেম্বর ঢাকার ইতিহাসে একটি মাইলফলক ঘটে। সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে শহরের রাস্তায় প্রথম বৈদ্যুতিক আলো জ্বলল। এই বিপ্লবী পরিবর্তনের পেছনে ছিলেন ঢাকার নবাব আহসানউল্লাহ। তার উদ্যোগে আহসান মঞ্জিলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কলকাতা থেকে আসা রাজস্ব বোর্ডের সচিব সি ডব্লিউ বোল্টন সুইচ টিপলেন। সেই মুহূর্তে ঢাকাবাসীদের সামনে খুলে গেল আলোর নতুন অধ্যায়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৯০১ সালের ৭ ডিসেম্বর ঢাকার আহসান মঞ্জিলে প্রথম বৈদ্যুতিক বাতি জ্বলল, যা শহরের আলোর ইতিহাসে মাইলফলক ঘটনা
  • 📌 নবাব আহসানউল্লাহ প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকা ব্যয় করে ঢাকার ২০টি প্রধান সড়ক ও স্থাপনায় বৈদ্যুতিক আলো স্থাপন করেন
  • 📌 ১৯০১ সালের ১৬ ডিসেম্বর মারা যান নবাব আহসানউল্লাহ, যিনি বিদ্যুতের আলোর এই উদ্যোগের মূল চালিকাশক্তি ছিলেন
  • 📌 ১৮৮৭ সাল থেকে নবাব আহসানউল্লাহর বাবা নবাব খাজা আবদুল গণির সম্মান প্রাপ্তির পরই ঢাকাবাসীদের জন্য আলোর এই প্রতিশ্রুতি দেন
  • 📌 ১৯০১ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকা প্রকাশ পত্রিকা এই ঘটনাকে ‘ঢাকার নগরীতে আলোর নতুন দৃশ্য’ হিসেবে বর্ণনা করে

📰 বিস্তারিত

১৯০১ সালের ৭ ডিসেম্বর বিকেল পাঁচটায় আহসান মঞ্জিলে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে সি ডব্লিউ বোল্টন সুইচ টিপলেন। সেই মুহূর্তে ঢাকার রাস্তায় বৈদ্যুতিক আলো জ্বলল। এই ঘটনায় উপস্থিত ছিলেন নবাব আহসানউল্লাহর সাথে ঢাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। তবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা ছিল বাংলার ছোট লাট স্যার জন উডবার্নের, কিন্তু তিনি অসুস্থতার কারণে অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেননি।

নবাব আহসানউল্লাহর উদ্যোগে ঢাকার ২০টি প্রধান সড়ক ও স্থাপনায় বৈদ্যুতিক আলো স্থাপন করা হয়। তালিকায় ছিল রহমতগঞ্জ, চকবাজার, মোগলটুলী, নালগোলা, বাবুবাজার, কমিটিগঞ্জ, ইসলামপুর, আহসান মঞ্জিল, পাটুয়াটুলী, বাংলাবাজার, ফরাশগঞ্জ, লক্ষ্মীবাজার, সদরঘাট, শাঁখারীবাজার, জনসন রোড, নবাবপুর, ভিক্টোরিয়া পার্ক ও রেলওয়ে স্টাফ কোয়ার্টার রোড। এই প্রকল্পের জন্য নবাব আহসানউল্লাহ প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকা ব্যয় করেন।

১৮৮৭ সালে নবাব আহসানউল্লাহর বাবা নবাব খাজা আবদুল গণি ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে ‘নাইট কমান্ডার অব দ্য স্টার অব ইন্ডিয়া’ উপাধি লাভ করেন। এই সম্মান প্রাপ্তির পরই আহসানউল্লাহ ঢাকাবাসীদের জন্য আলোর এই প্রতিশ্রুতি দেন। ইতিহাসবিদ মুনতাসীর মামুনের ‘ঢাকাসমগ্র ১’ বইয়ে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘গতকাল সন্ধ্যার অব্যবহিত পরে, শ্রীযুক্ত নবাব বাহাদুরের অনুকম্পায় ঢাকা নগরীর প্রধান প্রধান রাস্তাগুলি চমকে উঠিয়াছে...’

১৯০১ সালের ১৬ ডিসেম্বর মারা যান নবাব আহসানউল্লাহ। তিনি হৃদ্রোগে ভুগছিলেন। তার মৃত্যুর মাত্র ৯ দিন আগে ঢাকায় বৈদ্যুতিক আলো উদ্বোধন করা হয়েছিল। নবাব আহসানউল্লাহর মৃত্যুর পর ‘দ্য ঢাকা ইলেকট্রিক লাইট ট্রাস্ট’ গঠিত হয়, যেখানে তিনি সাড়ে চার লাখ টাকা দান করেন।

"গতকাল সন্ধ্যার অব্যবহিত পরে, শ্রীযুক্ত নবাব বাহাদুরের অনুকম্পায় ঢাকা নগরীর প্রধান প্রধান রাস্তাগুলি চমকে উঠিয়াছে... ঢাকার ন্যায় শহরে এরূপ দৃশ্য লোকনয়নে নিপতিত হইবে দশ বৎসর পূর্বে বোধ হয় তাহা স্বপ্নের অগোচর ছিল"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (আহসান মঞ্জিল, রহমতগঞ্জ, চকবাজার, মোগলটুলী, নালগোলা, বাবুবাজার, কমিটিগঞ্জ, ইসলামপুর, পাটুয়াটুলী, বাংলাবাজার, ফরাশগঞ্জ, লক্ষ্মীবাজার, সদরঘাট, শাঁখারীবাজার, জনসন রোড, নবাবপুর, ভিক্টোরিয়া পার্ক, রেলওয়ে স্টাফ কোয়ার্টার রোড)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নবাব আহসানউল্লাহ, সি ডব্লিউ বোল্টন, ইতিহাসবিদ মুনতাসীর মামুন, স্যার জন উডবার্ন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ ডিসেম্বর ১৯০১, ৮ ডিসেম্বর ১৯০১, সাড়ে চার লাখ টাকা, ২০টি সড়ক, ১৬ ডিসেম্বর ১৯০১, ৯ দিন, ৫ জুলাই ১৯০১

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖