📅 ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:০৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঢাকার বনশ্রী-আফতাবনগর সংযোগে নতুন পদচারী সেতু উদ্বোধন: যাতায়াতের সময় কমবে ৩০-৪০ মিনিট

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: হুমায়ুন কবির হুমায়ুন কবির
ঢাকার বনশ্রী-আফতাবনগর সংযোগে নতুন পদচারী সেতু উদ্বোধন: যাতায়াতের সময় কমবে ৩০-৪০ মিনিট

📷 ছবি: আমাদের সময়

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Amader Shomoy ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) বনশ্রী ও আফতাবনগর এলাকার মাঝে নির্মিত ৪২ মিটার দীর্ঘ পদচারী সেতু উদ্বোধন করেছে। এই সেতু চালু হলে বাসিন্দাদের যাতায়াতে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় বাঁচবে। সেতু নির্মাণে ১৩ কোটি টাকার বেশি খরচ হয়েছে

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) বনশ্রী ও আফতাবনগর এলাকার মাঝে নির্মিত পদচারী সেতু আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছে। এই সেতু নির্মাণের ফলে দুই এলাকার বাসিন্দাদের যাতায়াতে দৈনিক ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় বাঁচবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আফতাবনগরে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন উপস্থিত ছিলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **৪২ মিটার দীর্ধ্য পদচারী সেতু** উদ্বোধন: বনশ্রী ও আফতাবনগর সংযোগে নির্মিত এই সেতুতে ৩ দশমিক ৮০ মিটার প্রস্থ রয়েছে।
  • 📌 **১৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা** খরচ: সেতু নির্মাণে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ব্যয় হয়েছে ১৩ কোটি ২৮ লাখ ৯৮ হাজার টাকা।
  • 📌 **৩০-৪০ মিনিট সময় বাঁচবে**: সেতু চালু হলে বাসিন্দাদের যাতায়াতে দৈনিক ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় বাঁচবে।
  • 📌 **বাংলাদেশ নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে** নির্মিত: সেতু নির্মাণ প্রকল্পে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে কাজ করা হয়েছে।
  • 📌 **আগামীতে এমআরটি’র কাজ শুরু হলে** এই সেতু ও দুটি স্টিল ব্রিজ যানজট কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

📰 বিস্তারিত

বনশ্রী ও আফতাবনগর এলাকার মাঝে বয়ে যাওয়া রামপুরা (বেগুনবাড়ী) খালের ওপর নির্মিত এই পদচারী সেতুটি ৪২ মিটার দীর্ঘ এবং ৩ দশমিক ৮০ মিটার প্রস্থের। সেতুটির কাঠামোতে স্টিলের ব্যবহার করা হয়েছে এবং কংক্রিটের স্ল্যাব ও টাইলস দিয়ে হাঁটার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতদিন এই এলাকার বাসিন্দারা খাল পার হতে বাঁশের সাঁকো বা নৌকার ওপর নির্ভর করতে হতো। কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রতিদিন এই পথে চলাচল করতে হয়। সেতু চালু হলে তাদের খাল পারাপারের ভোগান্তি কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, আফতাবনগর এবং বনশ্রী আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এই সংযোগ স্থাপন। তিনি উল্লেখ করেন, এই সেতু নির্মাণের ফলে নাগরিকদের যাতায়াতে সময় বাঁচবে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট। এতে নগরবাসীদের মূল্যবান সময় বাঁচবে। তিনি আরও বলেন, এই পদচারী সেতুর পাশাপাশি আরও দুটি স্টিল ব্রিজ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে, যা দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল করতে পারবে। আগামীতে এমআরটি’র কাজ শুরু হলে প্রধান সড়কগুলোতে চাপ কমাতে এই ব্রিজগুলো বাইপাস রুট হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং যানজট নিরসন করবে।

সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর খায়েরুল আলম, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রাকিবুল হাসান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডর হুমায়ুন কবির, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস এবং অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী খন্দকার মাহবুব হোসেনসহ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় সোসাইটির নেতারা।

"আফতাবনগর এবং বনশ্রী আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এই সংযোগ স্থাপন। এই সেতু নির্মাণের ফলে এখন থেকে নাগরিকদের যাতায়াতে সময় বাঁচবে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বনশ্রী ও আফতাবনগর, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন (ডিএনসিসি প্রশাসক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪২ মিটার দৈর্ঘ্য, ৩.৮০ মিটার প্রস্থ, ১৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা ব্যয়, ৩০-৪০ মিনিট সময় বাঁচবে

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖