📌 ব্যবসায়ী আদম তমিজী হককে অবৈধভাবে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে তৎকালীন ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, তাকে মানসিক রোগী প্রমাণের চেষ্টা এবং অর্থ আদায়ের ঘটনাও ঘটেছে
রাজধানীর একটি মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্রে ব্যবসায়ী আদম তমিজী হককে অবৈধভাবে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে তৎকালীন ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, তাকে গ্রেফতারের পর মানসিক রোগী প্রমাণের চেষ্টা করা হয় এবং চিকিৎসকদের সনদ দিতে অস্বীকৃতি জানালেও বিশেষ ব্যবস্থায় কেন্দ্রে বন্দি রাখা হয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজধানীর একটি মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্রে আদম তমিজী হককে অবৈধভাবে আটকে রাখার অভিযোগ ডিবি হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে
- 📌 অভিযোগ, তাকে মানসিক রোগী প্রমাণের চেষ্টা এবং চিকিৎসকদের সনদ দিতে অস্বীকৃতি জানালেও কেন্দ্রে বন্দি রাখা হয়েছিল
- 📌 অভিযোগ রয়েছে, তার পরিবারের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের ঘটনাও ঘটেছে
- 📌 রাজধানীর বিভিন্ন নিরাময়কেন্দ্রে রোগীকে অবৈধভাবে আটকে রাখা, নির্যাতন ও ভুল চিকিৎসার অভিযোগ রয়েছে
- 📌 ৯ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে আদম তমিজী হক ফেসবুক লাইভে সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেন
📰 বিস্তারিত
ব্যবসায়ী আদম তমিজী হককে তৎকালীন ক্ষমতাসীন সরকারের বিরুদ্ধে ফেসবুক লাইভে বিষোদ্গার করার পর ডিবি হারুন অর রশীদের নেতৃত্বাধীন দল তাকে গ্রেফতার করে। তবে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়নি, বরং রাজধানীর একটি মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্রে বিশেষ ব্যবস্থায় আটকে রাখা হয়েছিল।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আদম তমিজী হকের পরিবারের কাছ থেকে কয়েক দফায় মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করা হয়েছে। এছাড়া তাকে মানসিক রোগী প্রমাণের জন্য বাইরে থেকে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ ডেকে আনা হলেও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা তাকে মানসিক রোগী হিসেবে সনদ দিতে অস্বীকৃতি জানান।
একজন ভুক্তভোগী চিকিৎসকের সূত্রে জানা যায়, তারা আদম তমিজী হককে পরীক্ষা করে মানসিক রোগী হিসেবে সনদ দিতে অস্বীকৃতি জানান। কিন্তু ডিবি হারুন তাকে কেন্দ্রে আটকে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যান। নিয়মানুযায়ী আদালতের আদেশ ছাড়া তাকে আটকে রাখা সম্ভব ছিল না। এতে হারুন প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত হন এবং তার দলবল চিকিৎসকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে।
"সেখানে যাওয়ার পর তমিজী হককে পরীক্ষা করে মানসিক রোগী মনে হয়নি। কিন্তু এরপরও ডিবি হারুন তাকে সেখানে আটকে রাখার চেষ্টা করেন। তখন নিয়মানুযায়ী এ বিষয়ে আদালতের আদেশ নিয়ে আসতে বলা হয়। এতে হারুন প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত হন।"
শেষ পর্যন্ত চিকিৎসা সনদ ছাড়াই আদম তমিজী হককে বেশ কিছুদিন কেন্দ্রে আটকে রাখা হয়। ঘটনা গোপন রাখতে কেন্দ্রের একটি ফ্লোর ফাঁকা করে দেওয়া হয় এবং বিশেষ ব্যবস্থায় তাকে একাই রাখা হয়েছিল। তার জন্য পৃথক খাবার ও বিনোদনের ব্যবস্থাও করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হারুন অর রশীদ, আদম তমিজী হক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!