📌 ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জে রয়েল কক্স পরিবহনের একটি স্লিপার বাসে ভয়াবহ আগুন লাগে। সামনের গাড়িতে ধাক্কার পর গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত হলেও সব যাত্রী নিরাপদে বেরিয়ে আসেন। পুরো বাসটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জে রয়েল কক্স পরিবহনের একটি স্লিপার কোচে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। সোমবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে ইলিয়টগঞ্জ রিলায়েবল সিএনজি ফিলিং স্টেশনের কাছে ঘটনাটি ঘটে। সামনের একটি গাড়িতে ধাক্কা দেওয়ার পর বাসটির সামনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত হলে পুরো বাসটিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জে রয়েল কক্স পরিবহনের স্লিপার বাসে ভয়াবহ আগুন
- 📌 সামনের গাড়িতে ধাক্কার পর গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত
- 📌 সোমবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে ঘটনাটি ঘটে
- 📌 সব যাত্রী নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হলেও পুরো বাসটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়
- 📌 ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক মো. ফারুক ইসলাম ঘটনার বিবরণ দেন
📰 বিস্তারিত
রয়েল কক্স পরিবহনের স্লিপার কোচটি কক্সবাজার থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। মহাসড়কের ঢাকাগামী লেনে যাওয়ার সময় সামনে থাকা একটি গাড়িতে বাসটি ধাক্কা দেয়। এতে বাসটির সামনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত হলে পুরো বাসটিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় টামটা গ্রামের বাসিন্দা বিল্লাল হোসেন মোল্লা জানান, বাসে আগুন লাগতে দেখে তারা দৌড়ে ঘটনাস্থলে যান। বাসের সব যাত্রী নিরাপদে বের হতে পারলেও পুরো বাসটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফারুক ইসলাম জানান, সামনের অন্য একটি বাসে ধাক্কা দেওয়ার পর স্লিপার কোচটিতে আগুনের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে যাত্রীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়। তিনি বলেন, এ ঘটনায় তেমন কেউ হতাহত হননি। তবে বাসের চালক ও স্টাফরা পালিয়ে গেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত বাসটি থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
"সামনের গাড়িতে ধাক্কা দেওয়ার পর গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীরা নেমে যান। পুরো বাসটি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইলিয়টগঞ্জ, দাউদকান্দি, কুমিল্লা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ফারুক ইসলাম (এসআই, ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ টা (ভোর সাড়ে চারটার দিকে ঘটনা ঘটে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!