📌 জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের গণিত বিভাগীয় প্রধান মো. আব্বাছ আলী শিক্ষার্থীদের উপহার দেওয়া ফ্রিজ নিজ বাসায় নিয়ে ব্যবহারের অভিযোগে সমালোচিত হন। পরে ফ্রিজটি বিভাগে ফিরিয়ে দেন তিনি
জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের গণিত বিভাগীয় প্রধান মো. আব্বাছ আলী শিক্ষার্থীদের উপহার দেওয়া ফ্রিজ নিজ বাসায় নিয়ে ব্যবহারের অভিযোগে সমালোচনার মুখে পড়েন। পরে ফ্রিজটি পুনরায় বিভাগে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে ফ্রিজটি বিভাগে ফিরিয়ে আনা হয় বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গণিত বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. আব্বাছ আলী শিক্ষার্থীদের উপহার দেওয়া ফ্রিজ নিজ বাসায় নিয়ে ব্যবহারের অভিযোগে সমালোচিত হন।
- 📌 প্রায় এক মাস আগে তার বাসার ফ্রিজ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তিনি কলেজের ফ্রিজটি বাসায় নিয়ে যান।
- 📌 ফ্রিজটি প্রায় এক বছর আগে মাস্টার্স শিক্ষার্থীরা কলেজকে উপহার দেন।
- 📌 ফ্রিজটির ধারণক্ষমতা প্রায় ৯০ লিটার।
📰 বিস্তারিত
জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের গণিত বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. আব্বাছ আলী শিক্ষার্থীদের উপহার দেওয়া ফ্রিজ নিজ বাসায় নিয়ে ব্যবহারের অভিযোগে সমালোচিত হন। চলতি মাসের ২০ আগস্ট তিনি ফ্রিজটি নিজ বাসায় নিয়ে যান বলে জানা গেছে। প্রায় এক মাস আগে তার বাসার ফ্রিজ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তিনি কলেজের ফ্রিজটি বাসায় নিয়ে যান বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, ফ্রিজটি বিভাগে তেমন প্রয়োজন পড়ে না। তার পরিবারের সবাই ঢাকায় থাকে। তিনি পশ্চিম নয়াপাড়ায় একটি বাসা নিয়ে থাকেন। তার মেয়ে ঢাকা থেকে রান্না করে পাঠায়। ফলে বাসায় ফ্রিজ না থাকায় কলেজের ফ্রিজটি নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। পরে সমালোচনার মুখে ফ্রিজটি পুনরায় বিভাগে ফিরিয়ে দেন তিনি।
এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. শওকত আলম মীর বলেন, বিষয়টি তার সম্পূর্ণ অজানা ছিল। বিভাগ থেকে নিজ বাসায় ফ্রিজ নেওয়া একেবারেই ঠিক হয়নি। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি জানার পর ফ্রিজটি পুনরায় বিভাগে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
"ফ্রিজটি বিভাগে তেমন প্রয়োজন পড়ে না। আমার বাসার ফ্রিজ নষ্ট হয়ে গেছে। পরিবারের সবাই ঢাকায় থাকে। আমি পশ্চিম নয়াপাড়ায় একটি বাসা নিয়ে থাকি। আমার মেয়ে ঢাকা থেকে আমার জন্য রান্না করে পাঠায়। বাসায় ফ্রিজ না থাকায় কলেজের ফ্রিজটি নিয়ে গিয়েছি। এখন আবার বিভাগে দিয়ে এসেছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আব্বাছ আলী (গণিত বিভাগীয় প্রধান)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক মো. শওকত আলম মীর (অধ্যক্ষ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০ লিটার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!