📅 ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের বিপর্যয়: যাত্রীদের দুর্ভোগ আর দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হয়ে উঠেছে ভাঙাচোরা সড়ক

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: শেখ রবিউল আলম শেখ রবিউল আলম
কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের বিপর্যয়: যাত্রীদের দুর্ভোগ আর দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হয়ে উঠেছে ভাঙাচোরা সড়ক

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের বিপর্যয়কর অবস্থা যাত্রী ও চালকদের জন্য দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভারী বৃষ্টিতে সড়কের খানাখন্দ ডুবে থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়েছে। সরকার চার লেন নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নে জটিলতায় পড়েছে

কুমিল্লা থেকে সিলেটগামী আঞ্চলিক মহাসড়কের বিপর্যয়কর অবস্থা যাত্রী ও চালকদের জন্য দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি ভারী বৃষ্টিতে সড়কের খানাখন্দ ডুবে থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়েছে। মহাসড়কটি দিয়ে কুমিল্লা, সিলেট ছাড়াও হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কিশোরগঞ্জের মানুষ যাতায়াত করেন। চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি। তবে ভাঙাচোরা অবস্থার কারণে বেশির ভাগ যানবাহন ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ হয়ে দীর্ঘ পথ ঘুরে যেতে বাধ্য হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের ময়নামতি থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ৬৫ কিলোমিটার
  • 📌 মহাসড়কের প্রায় ৫৪ কিলোমিটার অংশ কুমিল্লা সড়ক বিভাগের অধীনে
  • 📌 সম্প্রতি দেখা গেছে অন্তত ২১ কিলোমিটার অংশে বড় বড় গর্ত ও পিচের কার্পেটিং উঠে গেছে
  • 📌 ফারজানা ট্রান্সপোর্টের বাসচালক মফিজ মিয়া জানান, যানজটে তিন থেকে চার ঘণ্টা পর্যন্ত আটকে থাকতে হয়
  • 📌 সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, চার লেন নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়নি
  • 📌 প্রকল্পের আওতায় দেবিদ্বার, কংশনগর ও ভিংলাবাড়ী এলাকায় মোট ৮০৪ মিটার রিজিড পেভমেন্ট নির্মাণের কাজ চলছে

📰 বিস্তারিত

কুমিল্লা সড়ক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, মহাসড়কের ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পর্যন্ত প্রায় ৬৫ কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে প্রায় ৫৪ কিলোমিটার অংশ তাদের অধীনে। সম্প্রতি ময়নামতি থেকে কংশনগর, দেবিদ্বার, পান্নারপুল, ভিংলাবাড়ী ও কোম্পানীগঞ্জ পর্যন্ত অন্তত ২১ কিলোমিটার অংশ ঘুরে দেখা গেছে, মহাসড়কের কোথাও বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও উঠে গেছে পিচের কার্পেটিং। ভারী বৃষ্টির কারণে অনেক স্থানে গর্তের গভীরতা বোঝার উপায় থাকে না। ফলে ঝুঁকি নিয়েই বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করছে।

ফারজানা ট্রান্সপোর্টের বাসচালক মফিজ মিয়া বলেন, এই মহাসড়ক এখন মানুষের কাছে মহাদুর্ভোগের আরেক নাম। এমনিতেই ভাঙা ও গর্তে ভরা সড়কটিতে প্রতিদিনই যানজট লেগে থাকে। এর মধ্যে কোনো গাড়ি বিকল হলে ভোগান্তির শেষ থাকে না। অনেক সময় যানজটে পড়ে তিন থেকে চার ঘণ্টা পর্যন্ত আটকে থাকতে হয়।

ট্রাক চালক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, সড়কের গর্ত এড়িয়ে চলতে গিয়ে অনেক সময় গাড়িকে হঠাৎ গতি কমাতে বা পাশের লেনে যেতে হয়। এতে পেছনে থাকা যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষের আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে রাতে এবং বৃষ্টির সময় ঝুঁকি কয়েক গুণ বেড়ে যায়। স্থানীয় পরিবহনসংশ্লিষ্টদের মতে, সিলেট থেকে চট্টগ্রামমুখী পাথরবাহী ওভারলোড ট্রাকের চাপও সড়কের ক্ষতির অন্যতম কারণ। অতিরিক্ত থ্রি-হুইলার চলাচলের কারণে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। ফলে একদিকে সড়ক দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে যানজটও দীর্ঘ হচ্ছে।

দেবিদ্বার থেকে প্রতিদিন কুমিল্লা নগরে যাতায়াত করেন সাংবাদিক সাইফ উদ্দিন রনী। তিনি বলেন, বেশির ভাগ সময় সকালে বাসে উঠলে দেবিদ্বার পৌঁছাতে দুপুর হয়ে যায়। অথচ স্বাভাবিক সময়ে এই পথ যেতে সর্বোচ্চ এক ঘণ্টা লাগার কথা।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় কুমিল্লা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পের আওতায় মূল মহাসড়কটি চার লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। ধীরগতির যানবাহনের জন্য দুই পাশে সার্ভিস লেন রাখার পরিকল্পনাও রয়েছে। কুমিল্লার ময়নামতি থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ধরখার পর্যন্ত প্রায় ৫৪ কিলোমিটার আঞ্চলিক মহাসড়কের প্রস্থ প্রায় ১৮ ফুট। চার লেনে উন্নীত করা হলে তা প্রায় ৬০ ফুটে উন্নীত হওয়ার কথা। প্রকল্পটির ২০২২ সালে কাজ শুরু হয়ে ২০২৬ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নানা জটিলতায় মূল প্রকল্পের কাজ শুরু হয়নি।

"দ্রুত সংস্কার ও প্রশস্তকরণের মাধ্যমে কুমিল্লা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহাসড়কের মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মহাসড়কটি চার লেনে উন্নীত করার প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সরকার বিকল্প অর্থায়নের পথ খুঁজছে। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো সংস্কার ও উন্নয়নের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।"

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, দেবিদ্বার, কংশনগর ও ভিংলাবাড়ী এলাকায় মোট ৮০৪ মিটার রিজিড পেভমেন্ট নির্মাণকাজ চলছে। পাশাপাশি ময়নামতি, ফুলগাছতলা, কোম্পানীগঞ্জ, কাঠেরপুল, কুটিচৌমুহনীসহ বিভিন্ন স্থানে আরও ১ হাজার ৮৪৫ মিটার সড়ক প্রশস্ত ও টেকসই করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়ক (ময়নামতি থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পর্যন্ত)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মফিজ মিয়া (বাসচালক), জাহাঙ্গীর হোসেন (ট্রাক চালক), শেখ রবিউল আলম (সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৫ কিলোমিটার (মোট দূরত্ব), ৫৪ কিলোমিটার (কুমিল্লা সড়ক বিভাগের অধীনে), ২১ কিলোমিটার (ক্ষতিগ্রস্ত অংশ), ৮০৪ মিটার (রিজিড পেভমেন্ট নির্মাণ), ১ হাজার ৮৪৫ মিটার (সড়ক প্রশস্তকরণ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖