📌 কুমিল্লা জেলার বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় জেএমবির দুই সদস্যকে ২০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় এক নারীকে আট বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে। বিচারক খাইরুননেছা রায় ঘোষণা করেন
কুমিল্লার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৬-এর বিচারক খাইরুননেছা বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) দুই সদস্যকে ২০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই মামলায় খালেদা আক্তার রানী নামে এক নারীকে আট বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণা করা হয় বুধবার।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় জেএমবির দুই সদস্যকে ২০ বছর কারাদণ্ড
- 📌 একই মামলায় নারী আসামিকে দেওয়া হয়েছে আট বছরের সাজা
- 📌 রায় ঘোষণা করেন কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ খাইরুননেছা
- 📌 মামলাটি দায়ের হয়েছিল ২০০৬ সালের মার্চ মাসে
📰 বিস্তারিত
কুমিল্লা জেলার বিষ্ণুপুর এলাকায় ২০০৬ সালের ১৩ মার্চ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালিয়ে জেএমবির সদস্যদের কাছ থেকে বিস্ফোরক দ্রব্য ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করে। এই অভিযানের ভিত্তিতে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করা হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার পর আদালত তিন আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে পৃথক মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করেন।
মামলার অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) আল মাহমুদ সাগর জানান, মামলার শুনানিতে সাক্ষীদের সাক্ষ্য, আসামিদের জবানবন্দি, জব্দ তালিকা ও উদ্ধারকৃত সামগ্রী আদালতে উপস্থাপন করা হয়। এসব প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত আসামিদের দোষী সাব্যস্ত করেন।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুই জেএমবি সদস্য হলেন মো. মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে মিন্টু ওরফে সামাদ ওরফে রাজীব এবং মোহাম্মদ দুরুল হুদা ওরফে হাসান। খালেদা আক্তার রানীকে দেওয়া হয়েছে আট বছরের কারাদণ্ড।
"মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত তিন আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে পৃথক মেয়াদে কারাদণ্ড দেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুমিল্লা জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোস্তাফিজুর রহমান, দুরুল হুদা, খালেদা আক্তার রানী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ বছর, ৮ বছর, ১৩ মার্চ ২০০৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!