📌 চট্টগ্রাম জেলা অনলাইন ভূমি অভিযোগ নিষ্পত্তিতে দেশের শীর্ষে রয়েছে। মাত্র চার মাসে ৪৮৬টি অভিযোগ সমাধান করে জেলাটি জাতীয় গড়ের চেয়ে ২৬ শতাংশ বেশি দক্ষতা দেখিয়েছে। ভূমি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশে এ সময়ে মাত্র ২৯ শতাংশ অভিযোগই নিষ্পত্তি হয়েছে
চট্টগ্রাম জেলা অনলাইন ভূমি অভিযোগ নিষ্পত্তিতে দেশের অন্যান্য জেলাগুলোর তুলনায় সর্বোচ্চ দক্ষতা প্রদর্শন করেছে। গত ১৯ মে থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সালের মধ্যে চট্টগ্রামে মোট ৮৮২টি অভিযোগ জমা পড়লেও ৪৮৬টি নিষ্পত্তি হয়েছে — যা জাতীয় গড়ের চেয়ে ২৬ শতাংশ বেশি। ভূমি মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা (জিআরএস) থেকে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে সারা দেশে মোট ১৫ হাজার ২০১টি অভিযোগ জমা পড়লেও নিষ্পত্তি হয়েছে মাত্র ৪ হাজার ৩৮৪টি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রামে ৪৮৬টি ভূমি অভিযোগ নিষ্পত্তি — দেশের সর্বোচ্চ
- 📌 ময়মনসিংহের ১৯৭টি অভিযোগের তুলনায় চট্টগ্রামে ২৮৯টি বেশি নিষ্পত্তি
- 📌 চট্টগ্রামের নিষ্পত্তির হার ৫৫ শতাংশ — জাতীয় গড় ২৯ শতাংশ
- 📌 ১৯ মে থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে
- 📌 অভিযোগকারীরা বলেন, অনলাইন পদ্ধতির মাধ্যমে দ্রুত সমাধান পেয়েছেন
📰 বিস্তারিত
ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, চট্টগ্রাম জেলা অনলাইন ভূমি অভিযোগ নিষ্পত্তিতে শীর্ষে রয়েছে। গত চার মাসে (১৯ মে থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর) জেলাটিতে মোট ৮৮২টি অভিযোগ জমা পড়লেও ৪৮৬টি নিষ্পত্তি হয়েছে — যা মোট অভিযোগের ৫৫ শতাংশ। অন্যদিকে, দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ময়মনসিংহে নিষ্পত্তি হয়েছে মাত্র ১৯৭টি অভিযোগ, যা মোট অভিযোগের ৪১ শতাংশ। চট্টগ্রামের এই দক্ষতা জাতীয় গড়ের চেয়ে ২৬ শতাংশ বেশি। সারা দেশে একই সময়ে মোট ১৫ হাজার ২০১টি অভিযোগ জমা পড়লেও নিষ্পত্তি হয়েছে মাত্র ৪ হাজার ৩৮৪টি — যা মোট অভিযোগের মাত্র ২৯ শতাংশ।
চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেছেন, ভূমিসংক্রান্ত জটিলতা দেশের অনেক মামলা ও বিরোধের পেছনে রয়েছে। তিনি বলেন, নাগরিকদের যেন মামলা, হয়রানি বা ভোগান্তিতে পড়তে না হয়, সে জন্য ভূমিসেবা সহজ করার বিষয়ে কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগকারীদের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায়, অনলাইন পদ্ধতির মাধ্যমে সমস্যা দ্রুত সমাধান পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কাট্টলী সার্কেল ভূমি কার্যালয়ের অধীন একটি অভিযোগকারী শফিকুল ইসলাম খান বলেন, তিনি ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের সমস্যায় পড়েছিলেন। পরে জিআরএসে অভিযোগ করার পর সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাঁর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান হয়। তিনি বলেন, “আমার ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের সমস্যা দ্রুত সমাধান হয়েছে এবং অনলাইনে দাখিলাও পেয়েছি।”
হাটহাজারী উপজেলার আরেক অভিযোগকারী নুরদ্দীন বলেন, অনলাইন অভিযোগ করার পর তার সমস্যা দ্রুত সমাধান হয়। পরে ডাকযোগে তিনি নামজারি খতিয়ান পেয়েছেন।
"দেশের অনেক মামলা ও বিরোধের পেছনে ভূমিসংক্রান্ত জটিলতা রয়েছে। নাগরিকদের যেন মামলা, হয়রানি বা ভোগান্তিতে পড়তে না হয়, সে জন্য ভূমিসেবা সহজ করার বিষয়ে কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।"
"আমার ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের সমস্যা দ্রুত সমাধান হয়েছে এবং অনলাইনে দাখিলাও পেয়েছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম জেলা (সারাদেশের তুলনায়)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা (জেলা প্রশাসক), শফিকুল ইসলাম খান, নুরদ্দীন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৮৬টি (নিষ্পত্তি), ৮৮২টি (মোট অভিযোগ), ৫৫% (নিষ্পত্তির হার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!