📌 ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাসে ইমেইলের মাধ্যমে হামলার হুমকি দেওয়ার ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো জরুরি বৈঠকে মিলিত হয়েছে। দূতাবাসের নিরাপত্তা নিয়ে পুলিশ ও কূটনীতিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে
ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাসে ইমেইলের মাধ্যমে হামলার হুমকি দেওয়ার ঘটনায় জরুরি বৈঠকে মিলিত হয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের সিটিটিসি ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। গত ১৯ আগস্ট রাতে একটি উগ্রবাদী সংগঠনের নামে ইমেইল করে ওই হুমকি দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। বৈঠকে অংশ নিয়েছেন সিটিটিসির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মুন্সি শাহাবুদ্দিন, পুলিশ সদর দপ্তরের কর্মকর্তা এডিসি মাহমুদ এবং বাংলাদেশে কর্মরত অন্তত ১০ জন চীনা নাগরিক।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাসে ইমেইলের মাধ্যমে হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে
- 📌 গত ১৯ আগস্ট রাতে উগ্রবাদী সংগঠনের নামে হুমকি ইমেইল প্রেরণ
- 📌 বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুন্সি শাহাবুদ্দিন, এডিসি মাহমুদ ও ১০ জন চীনা নাগরিক
- 📌 দূতাবাসের নিরাপত্তা নিয়ে পুলিশ ও কূটনীতিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়
- 📌 জাপানি দূতাবাসেও বৈঠক করেছেন মুন্সি শাহাবুদ্দিন
📰 বিস্তারিত
গত ১৯ আগস্ট রাতে চীনা দূতাবাসে ইমেইলের মাধ্যমে হামলার হুমকি দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে দূতাবাস কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি জানার পর দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণে বৈঠকে মিলিত হন পুলিশের সিটিটিসি ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় গত ২০ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ঢাকার বারিধারায় অবস্থিত চীনা দূতাবাস প্রাঙ্গণে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিটিটিসির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মুন্সি শাহাবুদ্দিন, পুলিশ সদর দপ্তরের এলআইসি শাখার এডিসি মাহমুদ এবং বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রকল্পে কর্মরত অন্তত ১০ জন চীনা নাগরিক।
এদিকে বৈঠকের পর জাপানি দূতাবাসেও বৈঠক করেন মুন্সি শাহাবুদ্দিন। গত ২০ আগস্ট সকাল ১০টা ৪০ মিনিট থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ঢাকার বারিধারায় অবস্থিত জাপানি দূতাবাসে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। গোয়েন্দা সূত্র জানায়, সম্প্রতি রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে একের পর এক বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এর মধ্যে রাজধানীর ডেমরা এলাকায় দুটি বোমা সদৃশ বস্তুসহ একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গোয়েন্দা সূত্র আরও জানায়, গ্রেপ্তার ওই যুবক জেএমবির সদস্য বলে তথ্য পাওয়া গেছে। তার নাম মামুন ওরফে বোমা মামুন। তবে এখন পর্যন্ত তার কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। গোয়েন্দা সূত্র আরও জানায়, কারাগারে দেখা হওয়ার পর তারা জামিনে বেরিয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। এরপর জাতিসংঘ থেকে আল-কায়েদার বাংলাদেশে নেটওয়ার্ক নিয়ে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।
“আমরা খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। কারা এবং কোন উগ্রবাদী সংগঠন থেকে ইমেইল পাঠানো হয়েছে, সেটি বের করার চেষ্টা করেছি। হুমকিদাতাদের চিহ্নিত করার কাজ চলমান রয়েছে। দূতাবাসের জন্য ডিপ্লোমেটিক জোনের পুলিশ রয়েছে। তারাই নিরাপত্তার বিষয়টি দেখবেন।”
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার বারিধারা, চীনা দূতাবাস
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুন্সি শাহাবুদ্দিন, ইয়াও ওয়েন, সাইদা শিনিচি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ আগস্ট, ২০ আগস্ট, ১০ জন, ১০টা ৪০ মিনিট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!