📅 ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১:২৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নড়াইলে বাল্যবিবাহের নির্মম পরিণতি: অল্প বয়সে মেয়ের বিয়ে দিয়ে পস্তাচ্ছেন প্রবাসী বাবা

নড়াইলে বাল্যবিবাহের নির্মম পরিণতি: অল্প বয়সে মেয়ের বিয়ে দিয়ে পস্তাচ্ছেন প্রবাসী বাবা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নড়াইলে বাল্যবিবাহের হার সর্বোচ্চ ৭১ শতাংশ। অল্প বয়সে মেয়েকে বিয়ে দিলে পরবর্তীতে সংসার সামলাতে না পারার অভিজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এক প্রবাসী বাবা। প্রশাসনের অভিযানে বাল্যবিবাহ বন্ধ হলেও গোপনে বিয়ে হওয়ার ঘটনা ঘটছে

নড়াইল সদর উপজেলার এক প্রবাসী বাবা তাঁর অষ্টম শ্রেণির মেয়েকে অল্প বয়সে বিয়ে দেওয়ার পর ভয়াবহ পরিণতির মুখোমুখি হন। তিনি জানান, মেয়েকে স্কুলে পাঠানো থেকে বিরত রাখায় বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটলেও মেয়ের শিক্ষাজীবন ব্যাহত হয়েছে। তিনি এখন আর কাউকে অল্প বয়সে মেয়ের বিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে সতর্ক করে দিচ্ছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নড়াইলে বাল্যবিবাহের হার ৭১ শতাংশ, যা খুলনা বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ
  • 📌 অষ্টম শ্রেণির মেয়েকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল, পরে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে
  • 📌 বিয়েতে প্রায় ২ থেকে ৩ লাখ টাকা খরচ করেছিলেন প্রবাসী বাবা
  • 📌 গত এক বছরে প্রশাসন ও এনজিও মিলে ৩৩টি বাল্যবিবাহ বন্ধ করেছে
  • 📌 বন্ধ হওয়া ৩৩টি বিয়ের মধ্যে ১১টি গোপনে সম্পন্ন হয়েছে
  • 📌 বাল্যবিবাহের কারণে সংসারে কলহ ও বিবাহবিচ্ছেদের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে

📰 বিস্তারিত

নড়াইল সদর উপজেলার কুয়েতপ্রবাসী এক ব্যক্তি তাঁর অষ্টম শ্রেণির মেয়েকে স্কুল থেকে বিরত রাখায় অল্প বয়সে বিয়ে দিয়ে দেওয়ার পর ভয়াবহ পরিণতির মুখোমুখি হন। তিনি সম্প্রতি নিজ বাড়ির উঠানে দাঁড়িয়ে প্রথম আলোকে বলেন, ‘মেয়েকে স্কুলে যেতে দিইনি বলে বিয়ে দিয়ে দিয়েছিলাম। বিয়ের পর দুইবার শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছিল, পরে আর যায়নি। পরে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। এখন আবার অনেকে মেয়ের বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসছে, কিন্তু আমি আর কাউকে অল্প বয়সে মেয়ের বিয়ে দেব না।’

বেসরকারি সংস্থা সুশীলনের লোহাগড়া ও নড়াইল সদর উপজেলা সমন্বয়কারী প্রিতম সরদার বলেন, সপ্তম থেকে দশম শ্রেণির কিশোরীরাই বাল্যবিবাহের ঝুঁকিতে বেশি রয়েছে। তিনি জানান, অল্প বয়সে বিয়ে দেওয়ার ফলে সংসারের দায়িত্ব সামলাতে না পেরে অনেকেই সংসারে কলহের মুখোমুখি হন। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অভিভাবকদের সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।

নড়াইল জেলা মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্বে) মৌসুমী রানী মজুমদার বলেন, বাল্যবিবাহ বন্ধ করার পর অনেক সময় পরিবারগুলো অন্যত্র গিয়ে গোপনে বিয়ে দেয়। ফলে প্রশাসনের পক্ষে সবকিছু তদারক করা সম্ভব হয় না। তিনি জানান, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সমাজের সবাইকে একত্রিত হয়ে কাজ করতে হবে।

লোহাগড়া উপজেলার এক প্রত্যন্ত গ্রামের নারী জুবায়দা খানম (ছদ্মনাম) বলেন, তাঁর মেয়েকে ১২ বছর বয়সে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কয়েকদিন পরেই মেয়ে আর শ্বশুরবাড়িতে যায়নি। তিনি জানান, ‘আমরা ভুল বুঝতে পেরে মেয়েকে স্কুলে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

‘অল্প বয়সে মেয়েকে বিয়ে দিয়ে শিক্ষা হয়েছে আমার। সংসার করার মতো বয়স ওর হয়নি। এখন আবার লোকজন আসতেছে মেয়ের বিয়ের জন্যি। কিন্তু মেয়ের ভার-বুদ্ধি না হওয়া পর্যন্ত আর বিয়ে দেব না।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নড়াইল সদর উপজেলা, নড়াইল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রবাসী বাবা, মৌসুমী রানী মজুমদার, প্রিতম সরদার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭১ শতাংশ, ৩৩টি, ২-৩ লাখ টাকা, ১২ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖