📌 চট্টগ্রামের কোয়ালিটি ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেড মার্জারিন তৈরিতে ভেজাল উপাদান ব্যবহার ও স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে উৎপাদনের অভিযোগে চার লাখ টাকা জরিমানার মুখোমুখি হয়েছে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ মিলেছে
চট্টগ্রামের কোয়ালিটি ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেড মার্জারিন উৎপাদনে ভেজাল উপাদান ব্যবহারের অভিযোগে চার লাখ টাকা জরিমানার মুখোমুখি হয়েছে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের এক ঝটিকা অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে অননুমোদিতভাবে মার্জারিন উৎপাদনের প্রমাণ মিলেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভেজাল মার্জারিন উৎপাদনে চার লাখ টাকা জরিমানা গুনতে হয়েছে কোয়ালিটি ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেডকে
- 📌 অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুমা আক্তার
- 📌 প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে নিরাপদ খাদ্য আইনের ৩৩ ও ৩৯ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত
- 📌 অভিযানে স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে মার্জারিন উৎপাদনের দৃশ্য ধরা পড়ে
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রামের আগ্রাবাদের সুলতান কলোনিতে অবস্থিত কোয়ালিটি ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেডের কারখানায় অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ মার্জারিন উৎপাদনে ভেজাল উপাদান ব্যবহারের প্রমাণ পেয়েছে। অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে অননুমোদিতভাবে মার্জারিন উৎপাদনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়। নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. ফারহান ইসলাম জানান, প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম ও অননুমোদিতভাবে মার্জারিন উৎপাদন করে আসছিল।
অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর ৩৩ ও ৩৯ ধারা লঙ্ঘনের প্রমাণ মিলেছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুমা আক্তার কণার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির মালিকপক্ষকে তাৎক্ষণিকভাবে চার লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। অভিযানে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও ডবলমুরিং থানা-পুলিশের একটি দল সহায়তা করে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, মার্জারিন হলো উদ্ভিজ্জ তেল ও চর্বির প্রক্রিয়াজাত রূপ, যা পাউরুটি, বিস্কুট, কেক কিংবা পেস্ট্রির মতো বহুল ব্যবহৃত বেকারি পণ্যে ব্যবহার করা হয়। নোংরা পরিবেশে ও বেআইনিভাবে ভেজাল উপাদান দিয়ে তৈরি মার্জারিন দীর্ঘদিন খাওয়ার ফলে সাধারণ ভোক্তারা হূদরোগ, উচ্চ রক্তচাপসহ লিভার ও কিডনির জটিল রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।
"মাখনের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত মার্জারিন তৈরির মূল শর্তই হলো নিরাপদ ও জীবাণুমুক্ত পরিবেশ। অথচ এখানে মাখনের নামে অত্যন্ত নিম্নমানের চর্বিজাতীয় খাদ্য তৈরি করে সাধারণ গ্রাহকদের দীর্ঘদিন ধরে প্রতারিত করা হচ্ছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আগ্রাবাদ, সুলতান কলোনি, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুমা আক্তার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: চার লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!