📌 চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তান থেকে আমদানি করা ২০০ মেট্রিক টন তামাকে শুল্ক ফাঁকির চেষ্টায় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জব্দ করেছে। ১০ কনটেইনার তামাকের চালান থেকে প্রায় ২১ কোটি ১২ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছিল
চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তান থেকে আমদানি করা ২০০ মেট্রিক টন অপ্রক্রিয়াজাত কাঁচা তামাকে শুল্ক ফাঁকির চেষ্টায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর জব্দ করেছে। এই জব্দে ১০টি কনটেইনার তামাক জড়িত ছিল। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই চালান থেকে প্রায় ২১ কোটি ১২ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তান থেকে আমদানি করা ২০০ মেট্রিক টন তামাক জব্দ করা হয়েছে শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে
- 📌 ১০টি কনটেইনার তামাকের চালান থেকে প্রায় ২১ কোটি ১২ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছিল
- 📌 জব্দ করা তামাক দিয়ে ২১ কোটি ৪৩ লাখ শলাকা উন্নতমানের সিগারেট উৎপাদন সম্ভব ছিল
- 📌 সিগারেটের খুচরা বাজারমূল্য দাঁড়াতে পারে ৪৯৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা
- 📌 ‘গ্লোবাল লিফ টোব্যাকো কোম্পানি লিমিটেড’ নামের প্রতিষ্ঠানটি চালানটি এনেছিল
- 📌 প্রতিটি কনটেইনারে ২০ মেট্রিক টন করে মোট ২০০ মেট্রিক টন তামাক ছিল
- 📌 পণ্যের ঘোষিত মূল্যে বড় ধরনের অসংগতি পাওয়া যায়, প্রতি কেজি শুল্কায়নযোগ্য মূল্য ছিল ৫.১০ ডলার, কিন্তু ঘোষণা করা হয়েছিল ১.৪৫ ডলার
- 📌 এই ধরনের জব্দ আগে চট্টগ্রাম বন্দরে ঘটেনি বলে জানানো হয়েছে
- 📌 শুল্কমুক্ত বন্ড সুবিধায় আমদানি করা তামাকের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে তদারকি জরুরি বলে জানানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তান থেকে আমদানি করা ২০০ মেট্রিক টন অপ্রক্রিয়াজাত কাঁচা তামাক জব্দ করা হয়েছে। এই তামাকের চালান থেকে প্রায় ২১ কোটি ১২ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছিল। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই তামাক দিয়ে প্রায় ২১ কোটি ৪৩ লাখ শলাকা উন্নতমানের সিগারেট উৎপাদন সম্ভব ছিল। এসব সিগারেটের খুচরা বাজারমূল্য দাঁড়াতে পারে ৪৯৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।
কাস্টমস সূত্র জানিয়েছে, ‘গ্লোবাল লিফ টোব্যাকো কোম্পানি লিমিটেড’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান এই তামাকের চালানটি এনেছিল। প্রতিটি কনটেইনারে ২০ মেট্রিক টন করে মোট ২০০ মেট্রিক টন তামাক ছিল। বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্তভাবে ছাড়ের অপেক্ষায় থাকা চালানটির আমদানি-সংক্রান্ত নথিপত্র পর্যালোচনা করে পণ্যের ঘোষিত মূল্যে বড় ধরনের অসংগতি পাওয়া যায়। নথিপত্র অনুযায়ী, একই এইচএস কোডের কাঁচা তামাকের শুল্কায়নযোগ্য মূল্য প্রতি কেজি ৫ দশমিক ১০ মার্কিন ডলার হলেও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানটি ঘোষণা করেছিল মাত্র ১ দশমিক ৪৫ ডলার। এভাবে পণ্যের মূল্য কম দেখিয়ে শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছিল।
কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ধরনের জব্দ আগে চট্টগ্রাম বন্দরে ঘটেনি। চালানটি আটকের পর শুল্ক ফাঁকি এবং বন্ড সুবিধার অপব্যবহারের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তারা বলেছেন, শুল্কমুক্ত বন্ড সুবিধায় আমদানি করা তামাকের যথাযথ ব্যবহার এবং উৎপাদনপ্রক্রিয়ার কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করা জরুরি। তা না হলে আমদানি থেকে শুরু করে উৎপাদন ও খুচরা বাজারজাতকরণের বিভিন্ন পর্যায়ে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারানোর ঝুঁকি থাকে।
"শুল্কমুক্ত বন্ড সুবিধায় আমদানি করা তামাকের যথাযথ ব্যবহার এবং উৎপাদনপ্রক্রিয়ার কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করা জরুরি। তা না হলে আমদানি থেকে শুরু করে উৎপাদন ও খুচরা বাজারজাতকরণের বিভিন্ন পর্যায়ে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারানোর ঝুঁকি থাকে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম বন্দর, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর কর্মকর্তারা
- 📌 প্রতিষ্ঠান: গ্লোবাল লিফ টোব্যাকো কোম্পানি লিমিটেড
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০ মেট্রিক টন তামাক, ১০ কনটেইনার, ২১ কোটি ১২ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা, ২১ কোটি ৪৩ লাখ শলাকা সিগারেট উৎপাদন সম্ভব, ৪৯৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা সিগারেটের খুচরা মূল্য
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!