📅 ২০ আগস্ট ২০২৬, ৩:০৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চট্টগ্রামে এডিস মশার প্রজননস্থল শনাক্তে সিটি করপোরেশনের জরিপ: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাবেক উপদেষ্টার বাড়ি অন্তর্ভুক্ত

চট্টগ্রামে এডিস মশার প্রজননস্থল শনাক্তে সিটি করপোরেশনের জরিপ: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাবেক উপদেষ্টার বাড়ি অন্তর্ভুক্ত

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের জরিপে নগরের ছয়টি ওয়ার্ডে এডিস মশার ৯২টি প্রজননস্থল শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, চারটি নির্মাণাধীন ভবন ও কয়েকটি পরিত্যক্ত ভবন। সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের বাসাও প্রজননস্থল হিসেবে চিহ্নিত

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাম্প্রতিক জরিপে নগরের বিভিন্ন স্থাপনায় এডিস মশার প্রজননস্থল হিসেবে ৯২টি স্থান শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, নির্মাণাধীন ভবন, পরিত্যক্ত স্থাপনা এবং সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের বাসাও। এসব স্থানে জমে থাকা পানিতে মশার বংশবিস্তার ঘটছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের জরিপে ছয়টি ওয়ার্ডে এডিস মশার ৯২টি প্রজননস্থল শনাক্ত
  • 📌 প্রজননস্থলের মধ্যে রয়েছে ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, চারটি নির্মাণাধীন ভবন ও কয়েকটি পরিত্যক্ত ভবন
  • 📌 সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের বাসাও প্রজননস্থল হিসেবে চিহ্নিত
  • 📌 সর্বাধিক প্রজননস্থল পাওয়া গেছে উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডে (৩১টি)
  • 📌 জালালাবাদে ২২টি, পাঁচলাইশে ১৫টি, চকবাজার ও পশ্চিম বাকলিয়ায় ১০টি করে প্রজননস্থল শনাক্ত

📰 বিস্তারিত

চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন স্থাপনায় জমে থাকা পানিতে এডিস মশার প্রজননস্থল হিসেবে পরিণত হয়েছে। নির্মাণাধীন ভবন, পরিত্যক্ত স্থাপনা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং এমনকি সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের বাসাও এর অন্তর্ভুক্ত। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, নগরের ছয়টি ওয়ার্ডে পরিচালিত জরিপে মোট ৯২টি প্রজননস্থল শনাক্ত হয়েছে। এসব স্থানে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি বাসিন্দাদের সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের পাঁচলাইশ এলাকার চারতলা ভবনের নিচতলা প্রায় পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। বৃষ্টির সময় এখানে পানি জমে থাকে, যা সাত-আট দিনেও শুকায় না। ভবনের নিরাপত্তারক্ষী মো. সায়েম খান জানান, পানি জমে থাকার কারণে মশার প্রজননস্থল হিসেবে পরিণত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টা থাকাকালীন সময়ে নিয়মিত মশার ওষুধ ছিটানো হলেও বর্তমানে তা দেখা যায় না।

চট্টগ্রাম কলেজ ও হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজের পাহাড়ি টিলায় জঙ্গল রয়েছে। সেখানে কোথাও কোথাও পানি জমে থাকে এবং আশপাশ অপরিষ্কার থাকায় মশার প্রজননস্থল হিসেবে পরিণত হয়েছে। চট্টগ্রাম কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মোজাহেদুল ইসলাম চৌধুরী জানান, কলেজ এলাকায় প্রচুর গাছপালা থাকায় মশার প্রজননস্থল তৈরি হয়েছে। তবে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

"ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশা সাধারণত জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে বংশবিস্তার করে। ফলে নির্মাণাধীন ভবন, পরিত্যক্ত স্থাপনা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়ির আশপাশে পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণ করা জরুরি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রাম নগর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, মো. সরফুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯২টি প্রজননস্থল, ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ৩১টি উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডে

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖