📌 বাংলাদেশ ব্যাংকের ৬০ হাজার কোটি টাকার অর্থায়ন প্যাকেজের দ্বিতীয় ধাপে আরও ১০টি ব্যাংক যুক্ত হয়েছে। ৪১ হাজার কোটি টাকার এই তহবিলের মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে
বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে ঘোষিত অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপে আরও ১০টি ব্যাংক ৪১ হাজার কোটি টাকার তহবিলে অংশগ্রহণের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। এর ফলে মোট ১৭টি ব্যাংক এই তহবিলের আওতায় স্বল্প সুদে প্রাক্-অর্থায়ন ও পুনঃ অর্থায়ন সুবিধা প্রদানে যুক্ত হলো। গতকাল বৃহস্পতিবার মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দ্বিতীয় ধাপে যুক্ত হওয়া ১০ ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক ও উত্তরা ব্যাংক
- 📌 প্রথম ধাপে যুক্ত হয়েছিল সোনালী ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, ইস্টার্ন ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংক
- 📌 ৬০ হাজার কোটি টাকার অর্থায়ন প্যাকেজের মধ্যে ৪১ হাজার কোটি টাকা ব্যাংকগুলোর উদ্বৃত্ত তারল্য থেকে সরবরাহ করা হবে
- 📌 তহবিলের বাকি ১৯ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থায়ন করা হবে
- 📌 অর্থায়নের প্রধান খাতগুলো হলো বন্ধ শিল্প পুনরুদ্ধার, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, সিএমএসএমই খাতের চলতি মূলধন পুনঃ অর্থায়ন ও রপ্তানি বহুমুখীকরণ
📰 বিস্তারিত
দেশের অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত ৬০ হাজার কোটি টাকার সমন্বিত অর্থায়ন প্যাকেজের দ্বিতীয় ধাপে আরও ১০টি ব্যাংক যুক্ত হয়েছে। এই তহবিলের মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, ব্যাংকিং খাতের তারল্য সংকট কাটিয়ে ওঠা এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করার লক্ষ্যে বিভিন্ন খাতে স্বল্প সুদে অর্থায়নের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো. কবির আহাম্মদ। তিনি বলেন, ব্যাংকগুলোর উদ্বৃত্ত তারল্যকে উৎপাদনশীল খাতে সাশ্রয়ী মূল্যে পরিচালিত করতে পারলে তা দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
তহবিলের ৪১ হাজার কোটি টাকা ব্যাংকগুলোর উদ্বৃত্ত তারল্য থেকে সরবরাহ করা হবে, যার মধ্যে ২০ হাজার কোটি টাকা বন্ধ শিল্প ও সেবা খাত পুনরুদ্ধারে, ১০ হাজার কোটি টাকা কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও পল্লি অঞ্চলে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে, ৫ হাজার কোটি টাকা সিএমএসএমই খাতের চলতি মূলধন পুনঃ অর্থায়নে, ৩ হাজার কোটি টাকা উত্তরবঙ্গে কৃষিভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক কেন্দ্র গঠনে এবং ৩ হাজার কোটি টাকা রপ্তানি বহুমুখীকরণ খাতে পুনঃ অর্থায়নে ব্যবহৃত হবে।
"বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর উদ্বৃত্ত তারল্যকে যদি সঠিক উপায়ে দেশের উৎপাদনশীল ও অগ্রাধিকার খাতগুলোতে সাশ্রয়ী মূল্যে পরিচালিত করা যায়, তবে এটি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তার পাশাপাশি কর্মসংস্থান ও সামগ্রিক অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড়াতে বড় ভূমিকা রাখবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মতিঝিল, ঢাকা
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: মো. কবির আহাম্মদ, ডেপুটি গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ হাজার কোটি টাকা (মোট প্যাকেজ), ৪১ হাজার কোটি টাকা (ব্যাংক তহবিল), ১৭টি ব্যাংক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!