📅 ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৩৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চাঁদপুরে পুলিশের মাছ বিক্রির অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন, জড়িত ওসির বদলি

চাঁদপুরে পুলিশের মাছ বিক্রির অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন, জড়িত ওসির বদলি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চাঁদপুরের হাইমচরের আলোচিত টিপুনগরের ঘের থেকে পুলিশ সদস্যদের মাছ বিক্রির অভিযোগে জেলা পুলিশ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। অভিযুক্ত ওসি মোহাম্মদ নাজমুল হাসানকে চাঁদপুর পুলিশ লাইনসে বদলি করা হয়েছে।

চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার আলোচিত ‘টিপুনগরের’ ঘের থেকে থানা-পুলিশের সদস্যদের মাছ বিক্রির অভিযোগে জেলা পুলিশ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) খায়রুল কবিরকে প্রধান করে গঠিত এ কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চাঁদপুরের হাইমচরের টিপুনগরের ঘের থেকে পুলিশ সদস্যদের মাছ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে
  • 📌 জেলা পুলিশের তদন্ত কমিটি গঠন, প্রধান হিসেবে নিয়োজিত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খায়রুল কবিরকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে
  • 📌 অভিযুক্ত ওসি মোহাম্মদ নাজমুল হাসানকে চাঁদপুর পুলিশ লাইনসে বদলি করা হয়েছে
  • 📌 ১৫ আগস্ট ঘের থেকে মাছ ধরে হায়দারগঞ্জে বিক্রির অভিযোগে এসআই মো. জাকির হোসেন জড়িত

📰 বিস্তারিত

চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলার নীলকমল ইউনিয়নের বাহেরচরে অবস্থিত টিপুনগরের ঘের থেকে পুলিশ সদস্যদের মাছ বিক্রির অভিযোগে জেলা পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। গত মঙ্গলবার বিকেলে চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমানের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খায়রুল কবিরের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

টিপুনগরের ঘেরটি দীপু মনিরের ভাই জাওয়াদুর রহিম ওয়াদুদ ও তাঁর সহযোগীদের নামে রয়েছে। প্রায় ৪৮ একর জমির উপর নির্মিত এ ঘের থেকে মাছ ধরে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে থানার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, ১৫ আগস্ট ওসি মোহাম্মদ নাজমুল হাসানের নির্দেশে এসআই মো. জাকির হোসেন ঘের থেকে কয়েক লাখ টাকার মাছ ধরে হায়দারগঞ্জে বিক্রি করেন। এ বিক্রির জন্য কোনো নিলাম বা দরপত্র প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।

হাইমচর থানার এসআই মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘আমরা ১৫ আগস্ট ওসি সাহেবের নির্দেশে টিপুনগর থেকে মাছ ধরেছি এবং সেগুলো হায়দারগঞ্জে ৩৯ হাজার টাকায় বিক্রি করেছি।’ তিনি আরও বলেন, মাছ বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার দায়িত্ব ছিল ওসির। কিন্তু ওসি সাহেব ১৯ আগস্ট বদলি হয়ে চাঁদপুর পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত হন। নতুন ওসি মো. শাহ আলম বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছু বলতে পারব না, কারণ আমি ২৩ আগস্ট এখানে যোগদান করেছি।’

‘দুই বছর ধরে স্থানীয় লোকজন টিপুনগরের ঘের থেকে মাছ ও বাগান থেকে ফলমূল চুরি করে নিয়ে যাচ্ছিল। এ জন্য সেখানে কী পরিমাণ মাছ আছে দেখতে তাঁরা জাল ফেলেছিলেন। পরে সেগুলো বিক্রি করা হয়।’ — ওসি মোহাম্মদ নাজমুল হাসান

হাইমচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, সরকারি সম্পত্তি বিক্রির ক্ষেত্রে নিলাম প্রক্রিয়া অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু থানা-পুলিশ কোনো নিলাম আয়োজন করেনি বা তাঁদের জানায়নি। মাছ বিক্রির অর্থও সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়নি।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: হাইমচর, চাঁদপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ নাজমুল হাসান (ওসি), মিজানুর রহমান (পুলিশ সুপার), খায়রুল কবির (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৮ একর, ৩৯ হাজার টাকা, ১৫ আগস্ট, ৭ কর্মদিবস

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖