📅 ২১ আগস্ট ২০২৬, ১০:৩০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মস্তিষ্কের মারাত্মক বিপদ অ্যানিউরিজম: কারণ, লক্ষণ ও জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা

মস্তিষ্কের মারাত্মক বিপদ অ্যানিউরিজম: কারণ, লক্ষণ ও জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মস্তিষ্কের রক্তনালির ফোলা অংশ অ্যানিউরিজম হলে হঠাৎ ফেটে রক্তক্ষরণ ঘটে, যা হেমোরেজিক স্ট্রোকের কারণ। এ রোগে ১০ থেকে ২০ শতাংশ রোগী হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মৃত্যুবরণ করেন। নির্ভরযোগ্য পরীক্ষা এনজিওগ্রামের মাধ্যমে অ্যানিউরিজম শনাক্ত করা সম্ভব

মস্তিষ্কের রক্তনালিগুলো জালের মতো বিস্তৃত হয়ে শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটিতে রক্ত সরবরাহ করে। অ্যানিউরিজম হলো এসব রক্তনালির ফোলা অংশ, যা হঠাৎ ফেটে গেলে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ ঘটায়। ফলে মারাত্মক হেমোরেজিক স্ট্রোকের সৃষ্টি হয়। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এ রোগে আক্রান্তদের মধ্যে ১০ থেকে ২০ শতাংশ ব্যক্তি হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মৃত্যুবরণ করেন। তাই দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 অ্যানিউরিজম হলো মস্তিষ্কের রক্তনালির ফোলা অংশ, যা হঠাৎ ফেটে গেলে হেমোরেজিক স্ট্রোক হয়
  • 📌 এ রোগে আক্রান্তদের মধ্যে ১০ থেকে ২০ শতাংশ ব্যক্তি হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মৃত্যুবরণ করেন
  • 📌 অ্যানিউরিজমের প্রধান কারণগুলো হলো বংশগত প্রবণতা, উচ্চ রক্তচাপ, মাথায় গুরুতর আঘাত ও ধূমপান
  • 📌 অ্যানিউরিজম ফেটে গেলে হঠাৎ তীব্র মাথাব্যথা, ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া ও মুখের এক পাশ অবশ হয়ে যাওয়া লক্ষণ দেখা দেয়

📰 বিস্তারিত

মস্তিষ্কের অ্যানিউরিজম সম্পর্কে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরোসার্জারি বিভাগের চিকিৎসক ডা. হারাধন দেবনাথ জানিয়েছেন, অ্যানিউরিজম হলো মস্তিষ্কের রক্তনালির ফোলা অংশ, যা হঠাৎ ফেটে গেলে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ ঘটায়। এ ধরনের রক্তক্ষরণকে হেমোরেজিক স্ট্রোক বলা হয়। তিনি উল্লেখ করেন, এ রোগ প্রাণঘাতী হওয়ায় দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।

তিনি আরও বলেন, অ্যানিউরিজমের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে বংশগত প্রবণতা, উচ্চ রক্তচাপ, মাথায় গুরুতর আঘাত ও ধূমপান। এছাড়া জন্মগতভাবেও কারও কারও মস্তিষ্কে অ্যানিউরিজম থাকতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অ্যানিউরিজম না ফাটা পর্যন্ত কোনো লক্ষণ প্রকাশ পায় না। তবে অন্য কোনো কারণে মস্তিষ্ক পরীক্ষা করতে গেলে তা শনাক্ত হতে পারে।

অ্যানিউরিজম ফেটে গেলে এর কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়। এর মধ্যে রয়েছে হঠাৎ তীব্র মাথাব্যথা, ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া, বমি বমি ভাব, চোখের কাছে বা পেছনে ব্যথা, অস্পষ্ট দৃষ্টি বা দ্বিগুণ দৃষ্টি এবং মুখের এক পাশ অবশ হয়ে যাওয়া। এমন রোগীদের প্রতি পাঁচজনের মধ্যে প্রায় তিনজন দুই সপ্তাহের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেন।

"অ্যানিউরিজম শনাক্ত করার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পরীক্ষা হলো এনজিওগ্রাম। এ পদ্ধতিতে পায়ের রক্তনালিতে একটি ক্যাথেটার ঢুকিয়ে ঘাড়ের রক্তনালিগুলোর মধ্য দিয়ে মস্তিষ্ক পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়। মস্তিষ্কের সব রক্তনালি দেখতে কনট্রাস্ট ডাই ইনজেকশন করা হয়। এই পরীক্ষা চিকিৎসককে সহজেই অ্যানিউরিজমের অবস্থান নির্ণয়ে সহায়তা করে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. হারাধন দেবনাথ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ থেকে ২০ শতাংশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖