📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ লাইনসে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও মাদ্রাসাছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জন আহত হন। উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে জেলা পুলিশের আয়োজিত অনুষ্ঠানটি পণ্ড হয়ে যায়
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকায় পুলিশ লাইনসে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও মাদ্রাসাছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। রাত ১১টার পর শুরু হওয়া এ ঘটনায় পুলিশের লাঠিপেটা ও মাদ্রাসাছাত্রদের ইটপাটকেল নিক্ষেপে অন্তত ২৫ জন আহত হন। উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে জেলা পুলিশের আয়োজিত অনুষ্ঠানটি পণ্ড হয়ে যায় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ লাইনসে রাত ১১টার পর শুরু হওয়া সংঘর্ষে ২৫ জন আহত
- 📌 গান বাজানো বন্ধের দাবিতে মাদ্রাসাছাত্রদের অনুরোধকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা
- 📌 পুলিশের লাঠিপেটা ও মাদ্রাসাছাত্রদের পাল্টা ইটপাটকেল নিক্ষেপে ঘটনা তীব্র হয়
- 📌 চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরীর আগমন উপলক্ষে অনুষ্ঠান চলছিল
- 📌 আহতদের জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার রাত ১১টার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকায় পুলিশ লাইনসে জেলা পুলিশের আয়োজনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলছিল। চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরীর আগমন উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে উচ্চ শব্দে গান বাজানো হচ্ছিল। এ সময় কয়েকজন মাদ্রাসাছাত্র গান বাজানো বন্ধ বা শব্দ কমানোর অনুরোধ জানিয়ে পুলিশ লাইনসের ভেতরে প্রবেশ করেন। স্থানীয় দারুল আরকাম মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তাঁদের পরীক্ষা চলাকালীন উচ্চ শব্দের কারণে পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটছিল।
শিক্ষার্থীদের অনুরোধকে কেন্দ্র করে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে শতাধিক শিক্ষার্থী পুলিশ লাইনসের ভেতরে প্রবেশ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্যমতে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিপেটা শুরু করলে মাদ্রাসাছাত্ররা পাল্টা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন।
ঘটনার পর পুলিশ লাইনস এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। তবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি আর চালু করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
"গান বাজানো বন্ধের অনুরোধ জানাতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তাঁদের ওপর লাঠিপেটা শুরু হয়। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় আমরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করি।" — স্থানীয় দারুল আরকাম মাদ্রাসার এক শিক্ষার্থী
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকা
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী (চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি), মো. ওবায়দুর রহমান (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ জন আহত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!