📌 বগুড়ার সোনাতলা রেলস্টেশনে রেলওয়ের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনার পর যুবদল নেতা ক্ষমা চেয়ে লিখিত অঙ্গীকারনামা দিয়েছেন। কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বাভাবিক কাজে ফিরেছেন
বগুড়ার সোনাতলা রেলস্টেশনে রেলওয়ের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে ঘটা হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনার পর লিখিতভাবে ক্ষমা চেয়েছেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুল হাসান বাবু। একই সঙ্গে ভাঙচুর করা স্টেশনের কম্পিউটার মেরামত করে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে স্বাভাবিক কাজে ফিরেছেন স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বগুড়ার সোনাতলা রেলস্টেশনে বুধবার দুপুরে রেলওয়ের জায়গায় অবৈধ টয়লেট নির্মাণকে কেন্দ্র করে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে
- 📌 যুবদল নেতা কামরুল হাসান বাবু লিখিত অঙ্গীকারনামায় ক্ষমা চেয়ে ভবিষ্যতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটানোর প্রতিশ্রুতি দেন
- 📌 স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে বৃহস্পতিবার থেকে স্বাভাবিক কাজে ফিরেছেন
- 📌 ভাঙচুর করা কম্পিউটারটি রাতেই মেরামত করে দেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
বগুড়ার সোনাতলা রেলস্টেশনে রেলওয়ের জায়গায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে কমিউনিটি টয়লেট নির্মাণের বিরোধকে কেন্দ্র করে বুধবার দুপুরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ ওঠে, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা স্টেশন মাস্টারসহ সাত কর্মকর্তা-কর্মচারীকে মারধর করেন। এ সময় বুকিং কাউন্টারের একটি কম্পিউটার ভাঙচুর করা হয়। ঘটনার পর নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগে কর্মবিরতিতে যান স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে স্বাভাবিক কাজে ফিরেছেন স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। স্টেশন মাস্টার রবিউল ইসলাম জানান, বুধবার সন্ধ্যায় স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যস্থতায় সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুল হাসান বাবু লিখিত অঙ্গীকারনামা দেন। অঙ্গীকারনামায় তিনি জনসাধারণের পক্ষ থেকে ক্ষমা চান এবং ভবিষ্যতে স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটানোর প্রতিশ্রুতি দেন।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর বগুড়ার নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া জানান, অধিদপ্তরের কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই স্থানীয় ব্যক্তিরা ঠিকাদারের মাধ্যমে রেলওয়ের জায়গায় কমিউনিটি টয়লেট নির্মাণ শুরু করেন। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ স্থাপনাটি উচ্ছেদ করার পর প্রকল্পটি বাতিল করা হয়েছে। স্টেশন মাস্টার রবিউল ইসলাম জানান, স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যস্থতায় বিষয়টি মীমাংসা হয়েছে এবং ভাঙচুর করা কম্পিউটারটি রাতেই মেরামত করে দেওয়া হয়েছে।
"স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যস্থতায় বুধবার সন্ধ্যায় বিষয়টি মীমাংসা হয়েছে। ভাঙচুর করা কম্পিউটারও রাতেই মেরামত করে দেওয়া হয়েছে। এ কারণে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কাজে যোগ দিয়েছেন এবং স্টেশনের স্বাভাবিক কার্যক্রম চলছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সোনাতলা, বগুড়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কামরুল হাসান বাবু (যুবদল নেতা), রবিউল ইসলাম (স্টেশন মাস্টার), গোলাম কিবরিয়া (প্রকৌশলী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী, ১টি কম্পিউটার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!